সিঙ্গাপুরে প্রতি বছর কোভিড-১৯ এ ২০০০ জনের মৃত্যু হতে পারে

সিঙ্গাপুরে প্রতি বছর কোভিড-১৯ এ ২০০০ জনের মৃত্যু হতে পারে

আন্তর্জাতিক

সিঙ্গাপুর প্রতি বছর কোভিড-১৯ এ প্রায় দুই হাজারের মতো মৃত্যু দেখতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী।

প্রধানত বৃদ্ধরা এ পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন, কিন্তু দেশটি অতিরিক্ত মৃত্যু এড়ানোর চেষ্টার ওপর জোর দিচ্ছে বলে সোমবার পার্লামেন্টে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনিল পুথুচেরি।

দেশটিতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ সর্বোচ্চ বৃদ্ধির মধ্যে তিনি এসব কথা জানিয়েছেন বলে খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

পুথুচেরি জানান, সিঙ্গাপুরে কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক দুই শতাংশ, মহামারী শুরুর আগে নিউমোনিয়ায় মৃত্যুর হারও একই রকম ছিল।

টিকা দেওয়ার আগে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়া দেশগুলোর তুলনায় মৃত্যুর এ হার কর্ম বলে জানিয়েছেন তিনি।

“কিন্তু এর অর্থ সম্ভাব্য সেরা চিকিৎসা দেওয়া সত্ত্বেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কোভিড-১৯ এ নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা বাড়বে। কোভিড-১৯ এ প্রতি বছর আমাদের ২০০০ জনের মৃত্যু হতে পারে,” বলেছেন তিনি।

তবে এই হিসাব কত বছরের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে মন্ত্রী তা নির্দিষ্ট করে জানাননি।

মহামারীর আগে সিঙ্গাপুরে ইনফ্লুয়েঞ্জা ও অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের রোগে প্রতি বছর ৪০০০ মৃত্যু হতো বলে জানিয়েছেন তিনি।

সিঙ্গাপুরের ৫৪ লাখ ৫০ হাজার জনসংখ্যার ৮০ শতাংশেরও বেশি টিকার সবগুলো ডোজ নিয়েছেন। দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত অধিকাংশেরই লক্ষণ মৃদু অথবা উপসর্গবিহীন। গত ছয় মাসে যারা মারা গেছেন তাদের প্রায় ৯৫ শতাংশের বয়স ৬০ বছরের বেশি এবং ৭২ শতাংশের টিকার ডোজ সম্পন্ন হয়নি।

পুথুচেরি জানিয়েছেন, দেশটি স্থানীয় একটি রোগের মতো অতিরিক্ত মৃত্যু ছাড়াই কোভিড-১৯ এর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

“যদিও কোভিড-১৯ এর কারণে আমাদের এখানে মৃত্যু ঘটবে, কিন্তু স্বাভাবিক কোভিডহীন বছরের তুলনায় বাড়তি মোট মৃত্যু দেখবো না আমরা,” বলেছেন তিনি।

এই নগররাষ্ট্রটি কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধ করার জন্য বিধিনিষেধের মেয়াদ চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এতে জনগণ কিছুটা সমালোচনামুখর হয়ে উঠলেও দেশটির প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী হো চিং বলেছেন, লোকজনের অভিযোগ জানানো বন্ধ করা উচিত।