নাটোরের বড়াইগ্রামে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত

নাটোরের বড়াইগ্রামে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত

রাজশাহী

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গড়মাটি ঘাট এলাকায় ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুজিব জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠণ গড়মাটি এইচ পি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খলিসাডাঙ্গা নদীতে শনিবার এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় পাবনার চাটমোহরের কাটাখালির নৌকা জনতা এক্সপ্রেস প্রথম, বড়াইগ্রামের সাতইল গ্রামের নৌকা সোনার তরী দ্বিতীয় এবং কাটাখালি গ্রামের নিউ স্বাধীন বাংলা তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। ফাউন্ডেশনের সভাপতি সোহাগ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম খান বিজয়ীদের হাতে প্রথম পুরষ্কার হিসাবে একটি ফ্রিজ, দ্বিতীয় পুরষ্কার ৩২ ইঞ্চি ও তৃতীয় পুরষ্কার হিসাবে ২৪ ইঞ্চি এলইডি রঙিন টিভি তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোতালেব হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাংগঠণিক সম্পাদক প্রধান শিক্ষক শামসুর রহমান শাহীন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মানিক রায়হান, ছাত্রলীগ নেতা সুমন আহম্মেদ ও ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হালিম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, খলিসাডাঙ্গা নদীতে এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে মোট ৬টি নৌকা অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি নৌকায় ৩০-৩৫ জন করে মাল্লা ছিলেন। মাল্লাদের হেঁইও হেঁইও …… ধ্বনির সঙ্গে পানিতে বৈঠা চালানোর ছলাৎ ছলাৎ শব্দ আর হাজার হাজার মানুষের করতালিতে মুখরিত হয়ে উঠে নদীর দুই পাড়।

নৌকাগুলো শৃঙ্খলা রক্ষায় নদীর মাঝ বরাবর বাঁশ পুঁতে মোটা সুতায় রঙিন বেলুন বেঁধে টাঙিয়ে দেয়া হয়। এ কারণে বাইচের নৌকাগুলো চলাচল করেছে সুশৃঙ্খলভাবে। নদীর পাড় জুড়ে নানা রকম পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন দোকানীরা। বিলুপ্তপ্রায় এ নৌকা বাইচ উপভোগ করতে নদীর দুই পাড় জুড়ে বড়াইগ্রাম, গুরুদাসপুর ও পাশের চাটমোহর উপজেলার কমপক্ষে ১৫ হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিল।