দুর্নীতির মামলায় ডিপিডিসির রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

দুর্নীতির মামলায় ডিপিডিসির রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

জাতীয়

দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) নির্বাহী পরিচালক মো. রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোয়া কোটি টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে রোববার (৩ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন কুব শিগগিরই আদালতে চার্জশিট দাখিল করবেন বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এর আগে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর মো. রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক।তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আসামি ডিপিডিসির নির্বাহী পরিচালক (প্রকৌশল) মো. রমিজ উদ্দিন সরকার তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ার মাধ্যমে ১ কোটি ১৮ লাখ ৯২ হাজার টাকার সম্পদ গোপন করেছেন।

সম্পদের হিসাব বিবরণীতে রমিজ উদ্দিন সরকার ২ কোটি ৪১ লাখ ১৯ হাজার ২৮৯ টাকার স্থাবর সম্পত্তি ও ১ কোটি ২৫ লাখ ৭ হাজার ৬৮৭ টাকার অস্থাবর সম্পত্তিসহ ৩ কোটি ৬৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৭৬ টাকার সম্পদ অর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু দুদকে দাখিল করা তার সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৬৩ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ টাকার স্থাবর সম্পত্তি ও ৮৪ লাখ ৭ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদের পক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অর্থ্যাৎ দুদকের তদন্তে ২ কোটি ৪৭ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব পাওয়া গেলেও ১ কোটি ১৮ লাখ ৯২ হাজার টাকার সম্পদ তথ্য গোপন করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে।এছাড়া দুদকের তদন্তে প্রায় ৬ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।

যদিও মামলায় রমিজ উদ্দিন সরকারের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৯৫ লাখ ৭৯ হাজার ৮৬৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ আনা হয়েছিল। যার পরিমাণ অনুমোদিত চার্জশিটে কমেছে বলে দেখা যায়।২০১৮ সালের শেষ দিকে রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ আসে। এরপর প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ২০১৯ সালের ৭ মার্চ স্ত্রীসহ রমিজ উদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।