সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীকে জোরদার করতে আগামী ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের বাজেটে সব ধরনের ভাতা ১০ শতাংশ হারে বাড়ানা হচ্ছে। পাশাপাশি সব শ্রেণির উপকারভোগীর সংখ্যা ও ১০ শতাংশ হারে বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে সমাজল্যাণ মন্ত্রণালয়। শুধু তাই নয়, এ বছর অধিক সংখ্যক মানুষকে এর আওতায় পৃথক জরিপ চালানো হয়েছে। জরিপ অনুযায়ী, ২১ জেলাকে শ্রেণিপ্রবণ চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য চিহ্নিত জেলাগুলোর ক্যাশ প্রোগ্রাম নেওয়া হবে অর্থবছরের শুরুতে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পাঠানো বাজেট প্রস্তাবনায় বলা হয়, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে আগামী বছর ২৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হোক। সেই সঙ্গে বিধবাভাতা, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, স্বামী পরিত্যক্তা ও অতিদরিদ্র শ্রেণির উপকারভোগীর সংখ্যা ১০ শতাংশ হারে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ভাতা বাবদ এ খাতে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। চলতি ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ২৫ লাখ মানুষকে বয়স্ক ভাতা, পল্লি অঞ্চলের দেড় হাজার মাকে গর্ভবতী ভাতা, ৬১ জেলা সদরে প্রায় ৯০ হাজার কর্মজীবী নারীকে ল্যাকটিটিং ভাতা, প্রায় ১০ লাখ নারীকে দুস্থ বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা দেওয়া হচ্ছে। সরকারের এ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অবশ্যই সাধুবাদ পাওয়ারযোগ্য। তবে যাদের জন্য এ কর্মসূচি, তারাই যে এর সুফল পাবে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। তালিকা প্রণয়নের সময় নির্মোহ হয়ে প্রকৃত গরিব দুস্থদের কাছে এ সুবিধা পৌঁছে দিতে হবে। কোনক্রমেই যেন টাউট শ্রেণীর স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত না হয়Ñ সে ব্যাপারে প্রশাসনের কড়া নজরদারি দরকার।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য