নাটোরর বড়াইগ্রামে সড়কের মাঝখানে গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি

নাটোরর বড়াইগ্রামে সড়কের মাঝখানে গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি

রাজশাহী

বড়াইগ্রাম পৌর সদর লক্ষ্মীকোলে পাকা সড়কের মাঝখানে বটগাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটির কারণে যান চলাচল চরমভাবে বিঘিœত হচ্ছে। বর্তমানে রাস্তায় বড় কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না, আর প্রায়শই দ্রুতগামী মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। কিন্তু বিষয়টির সমাধান না হওয়ায় আহতের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

জানা যায়, উপজেলার লক্ষ্মীকোল বাজারের ইসলামি ব্যাংকের পাশ থেকে রেজিষ্ট্রি অফিস হয়ে পুরাতন সিনেমা হল মোড় পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রাস্তা রয়েছে। সপ্তাহে দু’দিন লক্ষ্মীকোলে উপজেলার সবচেয়ে বড় রসুনের হাট বসে। প্রতি হাটের দিন কমপক্ষে ৩০-৩৫ ট্রাক রসুন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যায়, যার অর্ধেক গাড়ি একসময় এ পথে চলাচল করতো।

পৌর ভবন ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাব-জোনাল অফিসের পাশ দিয়ে যাওয়া এ রাস্তার পাশেই সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসসহ বেশ কয়েকটি বেসরকারী সংস্থার অফিস রয়েছে।

এ ছাড়া হাসপাতাল, থানায় যাতায়াতসহ বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীদের চলাচলের অন্যতম পথ এটি। কিন্তু সাবেক কাউন্সিলর আবু জাফরের বাড়ির সামনে রাস্তার মাঝখানে একটি মাঝারী আকারের বটগাছ রয়েছে। একসময় ছোট থাকলেও বর্তমানে গাছটি বড় ও মোটা হওয়ার পাশাপাশি শিকড় বিস্তার করে রাস্তার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ জায়গা দখল করে নিয়েছে।

একই জায়গায় রয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুঁটি। এতে এ পথে বর্তমানে রসুনবাহী ট্রাকসহ বড় কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। এ ছাড়া গাছ ও খুুঁটির কারণে ছোট যানবাহনগুলোও প্রায়ই দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শহীদুল ইসলাম জানান, গাছটি একদম রাস্তার মাঝখানে হওয়ায় যান চলাচলে খুবই অসুবিধা হচ্ছে। তাছাড়া ঝড়ের দিনে ডাল ভেঙ্গে পড়েও কেউ কেউ আহত হয়েছেন। বিষয়টির সমাধান করা দরকার।
এ ব্যাপারে বড়াইগ্রাম পৌরসভার মেয়র মাজেদুল বারী নয়ন বলেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।