05. Jewish museums in Brusselsবেলজিয়ামে রাজধানী ব্রাসেলসে গত শনিবার ইহুদিদের একটি জাদুঘরে একজন বন্দুকধারীর গুলিতে তিনজন নিহত হয়েছেন, এদের মধ্যে এক ইসরাইলি দম্পতি রয়েছেন।
ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র এএফপিকে একথা বলেন।
মুখপাত্র ইগাল পালমর বলেন, ‘নিহতদের মধ্যে পর্যটক হিসেবে ব্রাসেলস বেড়াতে যাওয়া তেল আবিবের পঞ্চাশ-ঊর্ধ্ব এক দম্পতিও রয়েছেন।’
এরপরই ইহুদিদের সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করার কথা জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।
স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম বলছে, এক ব্যক্তি গাড়িতে এসে ব্রাসেলসের ওই জাদুঘরটিতে প্রবেশ করে। এরপর সে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে এবং একটু পরেই আবার তার গাড়িতে উঠে চলে যায়।
বন্দুকধারীর গুলিতে জাদুঘরে তিনজন নিহত হয়েছেন এবং অপর একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুইজন পুরুষ এবং একজন নারী।
এ ঘটনায় পুরো জাতি শোকার্ত বলে মন্তব্য করেছেন বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী এলিও ডি রুপো।
তিনি বলছেন, ভাষা, সংস্কৃতি বা ধর্ম যাই হোক না কেন, ইহুদি সংস্কৃতি কেন্দ্রের ওপর হামলার মতো ঘটনার প্রতিবাদে পুরো জাতি একাত্ম হয়ে থাকবে। হামলাকারীদের সনাক্ত এবং গ্রেপ্তারের জন্য সবকিছুই করা হবে।
নিহতদের পরিবারের জন্য গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন রুপো।
এদিকে বেলজিয়ামের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার সাথে জড়িত সন্দেহে একজনকে তারা আটক করেছে এবং অপর একজনের খোঁজে তল্লাশি করা হচ্ছে।
বেলজিয়ামের রাষ্ট্রীয় কৌঁসুলি ইনে ভ্যান য়েমের্চ বলছেন, হামলার পরপরই জাদুঘরটি থেকে বেরিয়ে গেছেন, এমন এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তবে তিনিই হামলাকারী কিনা, তা এখনো নিশ্চিত নয় পুলিশ। তবে জাদুঘরটি থেকে হেঁটে বেরিয়ে গেছেন, এমন অপর একজনের সম্পর্কে অনুসন্ধান চলছে, তবে তাকে এখনো সনাক্ত করা যায়নি।
হামলাকারী সম্পর্কে কারও কাছে তথ্য থাকলে তা জানাতে আহ্বান জানিয়েছে ব্রাসেলস পুলিশ।
একে সন্ত্রাসী হামলা বলে বর্ণনা করেছেন ব্রাসেলসের মেয়র ইভান মেইয়ুর। হামলার লক্ষ্য জাদুঘর নয়, ইহুদি ধর্মাবলম্বীরাই টার্গেট ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনার পর বেলজিয়ামের ইহুদিদের সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য