রঙের আগুনে মেতেছে কৃষ্ণচূড়ামোঃ তৌহিদুর  জামানঃ দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাংলার সব রং মিশেছে কৃষ্ণচূড়ায়। ঋতুরাজ বসন্তরে প্রতীক কৃষ্ণচূড়া যখন জ্বলে উঠে এই প্রকৃতির বুকে তখন সব বাঙালীর হৃদয়কে দোলা দেয়। বাংলার প্রকৃতিতে কৃষ্ণচূড়ার উপস্থিতি এত প্রবল যে সব গাছ, সব রংকে ম্লান করে কৃষ্ণচূড়া জেগে ওঠে অম্লান রূপ ও রস। তৈরি করেছে প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে প্রেমের সেতুবন্ধন। যৌবনে পা দেওয়া তরুণীর মতো এ উপজেলায় কৃষ্ণচূড়া যেন খিলখিল করে হাসছে। প্রকৃতির চিরন্তন সবুজকে ছাপিয়ে টকটকে লাল বর্ণের রং এর আগুনে মেতেছে এ উপজেলা। নীল আকাশও তার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে নেমে এসেছে কৃষ্ণচূড়ার গায়ে। পার্বতীপুর উপজেলার কিছু সড়কের রাস্তার দুই ধারে যেন গড়ে উঠেছে কৃষ্ণচূড়ার প্রাচুর্য । উপজেলার ছোট বড় বনায়নেও দেখা মিলছে অদ্ভূত সুন্দর এ ফুলের। এ যেন মন ভড়িয়ে দেওয়ার মতো । তাই তো পথিক পথে পথে হাঁটতে হাটতে মন থেকে গাইছে এ গান ‘এই পথ যদি না শেষ হয়, তবে কেমন হতো হবে তুমি বলোতে’। নিজের মন রাঙ্গিয়ে নিতে ভুল করছেন না। সেইসঙ্গে দিনভর চেনা-অচেনা পাখির কিচিরমিচির কলতান তো রয়েছেই। উপজেলার ঢাকা মোড় জ্ঞানাঙ্কুর স্কুল মার্কেটের উপরে, ঢাকা মোড় সংলগ্ন রেলগেটে পশ্চিম পার্শে¦, তাজ বেকারীর সামনে, উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে, শহর থেকে ল্যাম্ব হাসপাতাল যাওয়ার মেইন রোডের ধারে, যে কেউ এলে হতবাক হবেন লাল আগুনের শোভায়। যা পুরো নগরবাসীকেই চোখ ধাধানো মোহে পুলকিত করছে। নগরীর বেশ কিছু এলাকায়। গগনে সূর্যের আগুনে আরও টকটকে লাল হয়ে উঠছে কৃষ্ণচূড়া। প্রকৃতিতে জ্বলছে রঙের আগুন। বসন্ত রাঙ্গিয়ে এখন বৈশাখে কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্য উপজেলাটিকে করে তুলেছে ‘ভয়ঙ্কর সুন্দর’।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য