বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা কিছু দিনাজপুরীয় প্রকাশনা

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা কিছু দিনাজপুরীয় প্রকাশনা

সম্পাদকীয়

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে দিনাজপুর জেলার সম্পর্ক অতি গভীর। ১৯৪৬ সাল হতে দিনাজপুরের মাটিতে তাঁর যাতায়াত। যতবার এসেছেন, ততবার মিশেছেন হাজারো মানুষের সাথে। বাঙালি ও বাংলার জন্য কথা বলতে গিয়ে, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করতে গিয়ে যে আত্মত্যাগ করেছেন, জেল-জুলুম-হুলিয়াকে তুচ্ছ মনে করেছেন, ক্ষমতার লোভের বিসর্জন দিয়ে মানব কল্যাণে কিছু করার চেষ্টা করেছেন, তাই তো বিবিসি’র ঐতিহাসিক জরিপে তিনিই হয়েছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। তাকে নিয়ে সারা দুনিয়ায় অসংখ্য গ্রন্থ রচিত হয়েছে, কবিতা ও গান রচিত হয়েছে, যার থেকে দিনাজপুরের শিল্পী, সাহিত্য কর্মীরা পিছিয়ে ছিলেন না। এই নিবন্ধে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা দিনাজপুরের কিছু সাহিত্যকর্ম ও প্রকাশনার পরিচিতি তুলে ধরা হলো।

কবিতাপত্রঃ লোকান্তরিত মুজিব হে
‘লোকান্তরিত মুজিব হে’ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা ত্রিপল ভাঁজের একটি কবিতাপত্র যা ১৯৮৫ সালের ১৫ আগস্টে প্রকাশিত হয়েছিল। তখন দিনাজপুরের সকল প্রকাশনাই ছিল লেটার প্রেসে। এটিও লেটার প্রেসে মৃদ্রিত যার মধ্যে আজহারুল আজাদ জুয়েল রচিত ৫টি কবিতা ছাপানো হয়েছিল।

কবিতাগুলোর শিরোনাম ছিল নিম্নরুপঃ
ক্স শেখ মুজিব
ক্স মুজিবের পথে
ক্স ইতিহাস বলবে কথা
ক্স শোক দিবস-৮৫
ক্স লোকান্তরিত মুজিব হে

এই পাঁচ কবিতার সবগুলোতেই বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বন্দনা করা হয়েছিল। ১৯৮৫ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখার লোক তখন বাংলাদেশে খুব বেশি ছিল না। বৈরী পরিস্থিতিতে যারা তঁকে নিয়ে লিখেছেন তাদের সাহসিকতার জন্য অভিনন্দন জানাতেই হয়। কবিতাগুলো সাহিত্যনুযায়ী খুব বেশি মানোত্তীর্ণ হয়েছে এমন কথা বলা যাবে না। তবে তখনকার বৈরী পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা হয়েছে এটাই বড় কথা।
এখানে পাঠকদের বোঝার জন্য ‘ইতিহাস বলবে কথা’ কবিতাটি তুলে ধরা হলো;

কবিতার শিরোনাম : ইতিহাস বলবে কথা
বল-বাংলাদেশ, বাঙ্গালী জাতির আনল কে সম্মান? ২৬শে মার্চ স্বাধীন বাংলা দিল কে মোদের দান? কার হুংকারে স্বৈরাচারে উঠল কেঁপে জান? কার সাহসে বাঙ্গালী দিল ত্রিশ লক্ষ প্রাণ? শত কষ্টেও বাঙ্গালী জাতির রাখল কে মান? পদ্মা, মেঘনা, সুরমা এখন গাইছে কার গান? কাকে দিল এই বাঙ্গালী ‘বঙ্গবন্ধু’ সম্মান? সব প্রশ্নের এক উত্তর ‘শেখ মুজিবুর রহমান?

বঙ্গবন্ধুকে যেমন দেখেছি ও শহীদ আসাদুল্লাহ প্রসঙ্গঃ
বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি নিয়ে গ্রন্থ লিখেছেন দিনাজপুরের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। গ্রন্থের নাম ‘বঙ্গবন্ধুকে যেমন দেখেছি ও শহীদ আসাদুল্লাহ প্রসঙ্গ।’ লেখক বঙ্গবন্ধুর পাশাপাশি তার আপন ছোট ভাই মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আসাদুল্লার প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন এই গ্রন্থে।
২০১৫ সালের একুশে বইমেলায় গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় শহীদ আসাদল্লাহ স্মৃতি সংসদেও উদ্যোগে। গ্রন্থটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৭২। উৎসর্গ হয়েছে ভাষা ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের উদ্দেশে । লেখক বইটিতে বঙ্গবন্ধুকে তার ব্যক্তিগত কয়েকটি স্মৃতিকথা তুলে ধরেছেন।

উললেখযোগ্য স্মৃতি হলোঃ
স্মৃতি ১- আমার (ডাঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ) মধ্যে সব সময় জাতীয় নেতাদের দেখার এবং তাদের বক্তব্য শোনার একটা ঝোঁক ছিল। ১৯৬২ সালের ৫ জানুয়ারী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সহ বঙ্গবন্ধু দিনাজপুর বড় মাঠে এলে আমি তাদেকে দেখতে ও তাদের কথা শুনতে বড়মাঠে যাই। বঙ্গবন্ধু সেই সময় জাতীয় নেতায় পরিনত হয়েছেন তবে তত পপুলার হননি। সোহরাওয়ার্দী ছিলেন পপুলার নেতা এবং তার কথা শোনার জন্যেই মানুষ জনসভায় বেশি যেতেন। তাদের যে ট্রেনে দিনাজপুরে রওনা দেয়ার কথা ছিল, সেই ট্রেন নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ছেড়ে দেয়। ফলে তারা ট্রেনটি ফেইল করেন। মূলত তারা যেন সঠিক সময়ে জনসভায় পৌঁছাতে না পারেন, সেজন্যেই পাকিস্তান সরকারের নির্দেশে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে ট্রেনটি আগেই ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। বাধ্য হয়ে নেতারা পরের ট্রেনে দিনাজপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। বিকেল টাইমের জনসভা সন্ধ্যার পরে শুরু হয়। জনসভায় বক্তব্য রাখার রাখতে গিয়ে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ট্রেন ফেইলের ব্যাখা দেন। তিনি মজা করে বলেন, আমরা ট্রেন ফেল করিনি, ট্রেন আমাদের ফেল করেছে, তাই আমাদের আসতে দেরী হয়েছে। জনসভা শেষে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গবন্ধু সহ নেতৃবৃন্দ জনতার সাথে কথা বলেন ও হ্যান্ডশেক করেন। সেই সময় তাঁদের সাথে আমিও হ্যান্ডশেক করেছি।

স্মৃতি ২- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ঘটনায় গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু মুক্তিলাভ করেছিলেন। ২৩ ফেব্রুয়ারী তাঁকে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছিল। সেই সংবর্ধনা মঞ্চের সামনে আমি বসে থেকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান দেখেছি এবং সেই সময়ের ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ তাঁকে বঙ্গবন্ধু উপাধীতে ভূষিত করেছিলেন তা প্রত্যক্ষ করেছি।

স্মৃতি ৩- বঙ্গবন্ধু ১৯৬৯ সালে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছিলেন ঢাকার পল্টন ময়দানে। তাঁর কাছাকাছি থেকে সেই সময় আমিও ঈদের নামাজ পড়েছিলাম এবং নামাজ শেষে তাঁর সাথে কোলাকোলি করেছিলাম।
স্মৃতি ৪- ১৯৭০ সালের নির্বাচনী প্রচারনায় বঙ্গবন্ধু দিনাজপুরে এলে আমার বাবা মৌলভী আফতাবউদ্দিন সরকার তাঁকে দাওয়াত করেন। আমার ছোট ভাই আসাদুল্লাহ সরকার ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় পুলিশের গুলিতে ঢাকায় আহত হওয়ায় বঙ্গবন্ধু তাকে জানতেন এবং আমাদেরকের চিনতেন। তাই বাবার দাওয়াত পেয়ে তিনি আমাদের মুন্সিপাড়ার বাড়িতে আসেন এবং রাতের খাওয়া খান। এভাবেই বঙ্গবন্ধুর সাথে আমার ও আমাদের পরিবারের একটা সম্পর্ক তৈরী হয়েছিল।

কাব্যগ্রন্থ : বঙ্গবন্ধুর কাছে উত্তর প্রজন্মের চিঠি
দিনাজপুর সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ, বিশিষ্ট সাহিত্যকর্মী ও গবেষক মোজাম্মেল বিশ^াস বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ৬৪ পৃষ্ঠার একটি কবিতা লিখেছেন যা ২০১৫ সালের বই মেলায় গ্রন্থাকারে “বঙ্গবন্ধুর কাছে উত্তর প্রজন্মের চিঠি” নামে কাব্যগন্থ আকারে। বইটি প্রকাশ করেছে দেশের অন্যতম প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান আফসার ব্রাদার্স। বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এম আব্দুর রহিমকে। বৃহত্তর দিনাজপুর জেলায় সম্ভবত এটাই একমাত্র একক কাব্যগ্রন্থ যা শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা একটি দীর্ঘতম কাব্য।

লেখার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মোজাম্মেল বিশ্বাস বলেন, আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস হলো বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস। ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় জুড়ে তিনি ভাষাগত ও জাতিগত স্বাধীনতার জন্য কাজ করেছেন। তিনি আমাদের জন্য অসংখ্যবার জেল খেটেছেন। কিন্তু তাঁকে হত্যার পর তাঁর নাম ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা হয়েছিল। উত্তর প্রজন্ম তাঁকে যেন জানতে, চিনতে, বুঝতে না পারে সেই ধরণের প্রচেষ্টা ও ষড়যন্ত্র হয়েছিল। কিন্তু তাদের সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। উত্তর প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুকে জানতে, চিনতে ভুল করে নাই। এই কবিতার মধ্য দিয়ে সেই কথা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। আমি বলতে চেয়েছি যে, বঙ্গবন্ধু আমাদের দেশপ্রেমের, জাতীয়তাবোধের, আন্দোলনের, গৌরবের প্রতীক। আমরা উত্তর প্রজন্মের মানুষেরা তা জানি। এই কবিতা, যাকে চিঠি হিসেবে আখ্যায়িত করেছি, তার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর কাছে সে কথাই বলছি যে, উত্তর প্রজন্ম তোমাকে ভুলে নাই।

বঙ্গবন্ধুর কাছে উত্তর প্রজন্মের চিঠি কবিতার কয়েকটি লাইন তুলে ধরা হলোঃ
ও বন্ধু! প্রিয় বন্ধু বাংলার! তুমি এই অরুণগাঁথা বাঙালি জাতিসত্তার চিরন্তন মানস আমাদের স্বাধীনতা উত্তর তরুণ প্রজন্মের সূর্যমানব। একজন মানুষ তাঁর জীবনের সর্বস্ব উৎসর্গ কওে আত্মত্যাগ ও হৃদয়াঞ্জলি নিবেদনে ভালোবাসতে পারেন কতখানি তাঁর স্বদেশ ও মাতৃভূমির গণগণকে এমন বিরল ঐতিহ্য আমাদের প্রিয়জন বঙ্গবন্ধু।

কাব্যগ্রন্থ : স্বপ্নদ্রষ্টার স্বপ্নের সাথীঃ
দিনাজপুরের তরুণ কবি মোমিনুল কাদের খোকনের লেখা একটি নতুন কাব্যগ্রন্থ স্বপ্নদ্রষ্টার স্বপ্নের সাথী। এটি প্রকাশিত হয়েছে ২০১৮ সালের জাতীয় বই মেলায়। বইটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এবং তাঁর সহধর্মিনী ফজিলাতুন নেছা মুজিবকে নিয়ে লেখা ৯০টি কবিতার একটি বিশেষ কাব্যগ্রন্থ। কবিতাগুলোর উল্লেখযোগ্য কয়েকটির শিরোনাম হলো;
১. স্বাধীনতা,
২. আলো,
৩. বিশ্ব বঙ্গবন্ধু,
৪. তুমিই বাংলাদেশ,
৫. স্বাধীনতার ঘোষক
৬. স্বপ্নদ্রষ্টা,
৭. নদী ও নৌকা,
৮. মহাকাব্য,
৯. বন্ধু,
১০. দুটি ধ্রুবতারা
১১. দুটি জীবন,
১২. গর্বিত মা,
১৩. বঙ্গমাতা,
১৪. জেগে থাকা চাঁদ,
১৫. অপেক্ষা ইত্যাদি।
‘স্বপ্নদ্রষ্টার স্বপ্নের সাথী’ প্রকাশ করেছেন ক্যাপ্টেন মনসুর আলী জাতীয় সাহিত্য পরিষদ। ভূমিকা লিখেছেন গবেষক ও কথা সাহিত্যক ড. মাসুদুল হক। প্রচ্ছদ করেছেন মোল্লাহ শরীফ, মুদ্রণ হয়েছে প্যাপিরাস অফসেট প্রেসে। বইটির সবগুলো কবিতার ভেতর দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আর বঙ্গমাতা ফজিলাতুননেছাকে বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গীতে আবিস্কারের চেষ্টা করেছেন কবি। বইটির মূল্য রাখা হয়েছে ২২৫ টাকা।

ছড়াগ্রন্থ : ছড়ায় ছড়ায় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ
দিনাজপুরের অন্যতম কবি ও ছড়াকার জলিল আহমেদের লেখা কবিতা নিয়ে প্রকাশিত একটি গ্রন্থেও নাম ‘ছড়ায় ছড়ায় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ’। ৪৮ পৃষ্ঠার এই কাব্য গ্রন্থে রয়েছে ৪৮টি কবিতা যার সবগুলোই বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা। কবিতাগুলোর কয়েকটির শিরোনাম হলো;
১. জাতির পিতার জন্মদিন
২. তোমার এ ছবি
৩. এ প্রজন্মের রক্তে বহে শেখ মুজিব
৪. রক্তের শোক সাগর
৫. তাঁর জীবনী
৬. কারাগারের রোজনামচা
৭. জাতির পিতার কথা
৮. বজ্র তর্জনী
৯. জনকের মুখটা
১০. জাতির পিতাকে বিন¤্র শ্রদ্ধা
১১. দিয়ে যান দিশে
১২. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব
১৩. আজ যাব না কোচিংয়ে
১৪. তিনিই জাতির পিতা ১৪.
১৫. বঙ্গবন্ধুর পুনর্জন্ম
১৬. তুমি বিশ^ময় ইত্যাদি।

পাঠকদের পড়ার জন্য এখানে জাতির পিতার জন্মদিন কবিতাটি তুলে ধরা হলোঃ
বিদ্যালয়ের বাড়ির পড়া পড়ব না
কোচিং টোচিং কোন কিচ্ছু করবনা
মা-বাবা ও স্যার-আপারা জেনেই নিন
আজ আমাদের জাতির পিতার জন্মদিন।
আঁকব ছবি খেলব দেশের মাঠজুড়ে
আনন্দে আজ রাখব মেজাজ ফুরফুরে
উনিশশ বিশ সতের মার্চ জ¦লল দীপ
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।
এই দিবসে যায় কি করা অন্য কাজ?
সেই মহতীর স্বপ্ন গায়ে মাখব আজ।

ইতিহাস গ্রন্থ : তৃণমূলে বঙ্গবন্ধু প্রেক্ষাপট দিনাজপুর
দিনাজপুরের বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক আজহারুল আজাদ জুয়েলের লেখা তৃণমূলে বঙ্গবন্ধু প্রেক্ষাপট দিনাজপুর। এটি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নিয়ে লেখা একটি ইতিহাস গ্রন্থ। দিনাজপুর জেলায় বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক কর্মকান্ড এই গ্রন্থে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। এই গ্রন্থেও তথ্যানুযায়ী দিনাজপুওে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক কর্ম শুরু হয়েছিল ১৯৪৬ সালে। অর্থাৎ বৃটিশ শাসনামলে। গ্রন্থটি ২০২০ সালে তা¤্রলিপি প্রকাশ করেছে। ৮৮ পৃষ্ঠার বইটির মূল্য ১৭০ টাকা।

এরকম আরো কিছু প্রকাশনা আছে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে। জায়গার অভাবে সবগুলো তুলে ধরা গেল না। দিনাজপুরের অনেকে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গল্প-কবিতা লিখেছেন। ভবিষ্যতে সেগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।

-লেখক
আজহারুল আজাদ জুয়েল,
সাংবাদিক, কলামিষ্ট, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক
মোবাঃ ০১৭১৬-৩৩৪৬৯০/০১৯০২০২৯০৯৭
ইমেইল- [email protected]