রংপুর বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জনের মৃত্যু

রংপুর

রংপুর বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৬৫৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় আক্রান্তের হার ২৮ দশমিক ০২ শতাংশ।

এদিকে গত ২৭ দিনে বিভাগে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৫৮ জন। গতকালের তুলনায় বিভাগে করোনায় মৃত্যু বাড়লেও শনাক্ত কমেছে। বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. মোতাহারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রংপুরের পাঁচজন, ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচজন, কুড়িগ্রামের দুইজন, দিনাজপুুরের দুইজনসহ লালমনিরহাট ও গাইবান্ধার একজন করে রয়েছেন।

এ সময়ে বিভাগে ২ হাজার ৩৪৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬৫৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রংপুরের ১৮৬ জন, গাইবান্ধার ৮৫ জন, ঠাকুরগাঁওয়ের ৭৭ জন, কুড়িগ্রামের ৭৬ জন, পঞ্চগড়ের ৭৬ জন, দিনাজপুরের ৬৯ জন, নীলফামারীর ৬৪ জন, ও লালমনিরহাটের ২৪ জন রয়েছেন।

নতুন করে মারা যাওয়া ১৬ জনসহ বিভাগে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮২ জনে। এর মধ্যে দিনাজপুরে ২৬২ জন, রংপুরে ১৮৯ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৭০, নীলফামারীতে ৬৪, পঞ্চগড়ে ৫৪, লালমনিরহাটে ৫৩, কুড়িগ্রামে ৪২ ও গাইবান্ধায় ৪১ জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮০ জন।

বিভাগের আট জেলায় এখন পর্যন্ত ৪২ হাজার ২৩৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে দিনাজপুুরে ১২ হাজার ২৬৬ জন, রংপুরে ৯ হাজার ২৭৯ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ হাজার ৮১৬ জন, গাইবান্ধায় ৩ হাজার ৬০৬ জন, নীলফামারীর ৩ হাজার ৩৬৮ জন, কুড়িগ্রামের ৩ হাজার ২৫১ জন, লালমনিরহাটের ২ হাজার ১৪১ জন এবং পঞ্চগড়ের ২ হাজার ৫১১ জন রয়েছেন।

করোনাভাইরাস শনাক্তের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রংপুর বিভাগে ২ লাখ ১০ হাজার ৪০৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। বিভাগের আট জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে দিনাজপুর, রংপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলায়। এ ছাড়া ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা জেলাগুলোয় বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু।

এদিকে করোনার উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন বিভাগে হাসপাতালগুলোতে অন্তত ১৫ থেকে ২০ জনের মৃত্যু হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের হিসেবে ধরছে না স্বাস্থ্য বিভাগ। বর্তমানে বিভাগের হাসপাতালগুলোতে সংকটাপন্ন রোগীদের জন্য মিলছে না আইসিইউ বেড। দেখা দিয়েছে অক্সিজেন সংকট।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য