ঈদের ৮ দিন জনসমাবেশের অনুষ্ঠান পরিহারের নির্দেশ

ঈদের ৮ দিন জনসমাবেশের অনুষ্ঠান পরিহারের নির্দেশ

জাতীয়

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে আটদিন শিথিল থাকছে লকডাউন। এই বিধিনিষেধের মধ্যে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে এই সময়ে জনসমাবেশ হয় এমন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পরিহারেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বুধবার মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত আগের আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করা থাকলেও করোনাভাইরাসজনিত রোগের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ বিস্তার রোধে এ সময়ে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

এ সময়ে পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্রে গমন ও জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান যেমন- বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি এবং রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিহার করতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার লকডাউন শিথিল সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে আগামী ১৪ জুলাই (বুধবার) মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই (শুক্রবার) সকাল ৬টা পর্যন্ত আরোপিত সব বিধিনিষেধ শিথিল করেছে সরকার।

এতে আরও বলা হয়েছে, ঈদ উদযাপন, জনসাধারণের যাতায়াত, ঈদ পূর্ববর্তী ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা, দেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, এই সময়ে গণপরিবহন চালু থাকবে। দূরপাল্লার গণপরিবহণ, ট্রেন, নেৌপরিবহন চালু থাকবে। মার্কেট, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু থাকবে। এর অর্থ দাঁড়াল, এই সময়ে সবকিছুই চলতে পারবে।

ঈদের পর ২৩ জুলাই সকাল ছয়টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত আবারও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ থাকবে। মঙ্গলবারের আদেশে সেই বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য