রংপুরে মৃত্যু আরও ৮, শনাক্ত ২৭৮

রংপুর

রংপুর বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৭৮ জন। এ নিয়ে গেল নয়দিনে বিভাগে করোনায় প্রাণ হারাল ১১৩ জন।

শনিবার (১০ জুলাই) দুপুরে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আবু মো. জাকিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে লালমনিরহাট জেলার ৩ জন, দিনাজুপুরের ২, নীলফামারীর ২ ও ঠাকুরগাঁও জেলার ১ জন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় গেল সপ্তাহের তুলনায় মৃত্যু ও শনাক্তের হার কমে এসেছে।

একই সময়ে বিভাগে ৮৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৭৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে দিনাজপুর জেলার ১৪২ জন, ঠাকুরগাঁওয়ের ৩৬, রংপুরের ৩১, লালমনিরহাটের ২২, গাইবান্ধার ১৯, নীলফামারীর ১৫, কুড়িগ্রামের ৭ ও পঞ্চগড় জেলার ৬ জন রয়েছে। বিভাগে শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ১৪ শতাংশ।

স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাস শনাক্তের শুরু থেকে শুক্রবার (৯ জুলাই) পর্যন্ত রংপুর বিভাগে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে ৩১ হাজার ৯৬৮ জন শনাক্ত হয়েছেন।

নতুন করে মারা যাওয়া ৮ জনসহ বিভাগে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছ ৬৩২ জনে। এর মধ্যে দিনাজপুর জেলার ২১৮ জন, রংপুরের ১২৩, ঠাকুরগাঁওয়ের ১১৫, নীলফামারীর ৪৪, লালমনিরহাটের ৪২, কুড়িগ্রামের ৩২, গাইবান্ধার ২৯ ও পঞ্চগড়ের ২৯ জন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৩৯ জন।

এছাড়াও নতুন শনাক্ত ২৭৮ জনসহ বিভাগে ৩১ হাজার ৯৬৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে দিনাজপুুর জেলায় ১০ হাজার ১৩৯ জন, রংপুরের ৭ হাজার ৯৭ জন, ঠাকুরগাঁওয়ের ৪ হাজার ৪২২ জন, গাইবান্ধার ২ হাজার ৫৯২ জন, নীলফামারীর ২ হাজার ২৯৫ জন, কুড়িগ্রামের ২ হাজার ১৮২ জন, লালমনিরহাটের ১ হাজার ৭৯৪ জন এবং পঞ্চগড়ের ১ হাজার ৪৪৭ জন রয়েছেন।

বিভাগের আট জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে দিনাজপুর, রংপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলায়। এ ছাড়া ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা জেলাগুলোত বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু।

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. আবু মো. জাকিরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিভাগের নির্দেশনা মেনে চলার বিকল্প নেই।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য