বীরগঞ্জের গোলাপগঞ্জ পশুরহাটে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান

বীরগঞ্জের গোলাপগঞ্জ পশুরহাটে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান

দিনাজপুর

দিনাজপুর সংবাদাতাঃ বীরগঞ্জের গোলাপগঞ্জ পশুরহাট বসতে দেয়নি ইউএনও-ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ক্রেতা-বিক্রেতা ও ইজারাদার অব্দুল খালেক সরকার পশুরহাট থেকে পালিয়ে গেছে।

বীরগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তরে গোলাপগঞ্জ পশুরহাট অবস্থিত। পশুরহাট ইজারাদার অব্দুল খালেক সরকার কঠোর লকডাউনের ঘোষিত আইন অমান্য করে ও পশুরহাট স্থগিত প্রশাসনের নিদের্শ উপেক্ষা করে গত ১লা জুলাই বৃস্পতিবার ও ৫ জুলাই সোমবার গোলাপগঞ্জে পশুরহাট বসিয়ে আগত হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতাকে প্রানঘাতি করোনা সংক্রমন বৃদ্ধির ঝুকিতে ফেলে দেয়।

বীরগঞ্জের গোলাপগঞ্জ পশুরহাটে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান

৮ জুলাই বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল কাদের এর নেতৃত্বে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ ডালিম সরকার এবং থানার ওসি মোঃ আব্দুুল মতিন প্রধান এবং আইন বাহিনীর সদস্যরা পশুরহাট বসানোর প্রত্তুতিকালে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ইউএনও-ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ক্রেতা-বিক্রেতা ও ইজারাদার অব্দুল খালেক সরকার পশুরহাট থেকে পালিয়ে গেছে ।

প্রত্যক্ষদর্শি সুত্রে জানা গেছে, করোনা সংক্রম প্রতিরোধে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত কঠোর লকডাউন এর নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ইজারাদার অব্দুল খালেক সরকার গায়ের জোরে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে হাট পরিচালনা করছিল।

৮ জুলাই বৃহ¯পতিবার যথারীতি হাট বসালে করোনা বিস্তার রোধে দায়িত্বরত সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দেখে ক্রেতা-বিক্রেতারা ও ইজারাদার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী মোঃ আব্দুল কাদের সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সরকারের আইন ও বর্তমান ভয়াবহ প্রানঘাতি করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে বিধি সমুহ বাস্তবায়ন করাই প্রশাসনের প্রধান কাজ এবং সেটাই আমরা করছি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য