টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে বিপাকে হিলি বন্দরের শ্রমিকরা

টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে বিপাকে হিলি বন্দরের শ্রমিকরা

দিনাজপুর

দিনাজপুর সংবাদাতাঃ চলছে আষাঢ মাস। থেমে থেমে হচ্ছে বৃষ্টি। টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে বিপাকে পড়েছেন হিলি স্থলবন্দরের শ্রমিকরা। একদিকে লকডাউন অন্যদিকে আষাঢে অঝোরে ঝড়া বৃষ্টিতে পরিবার পরিজন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। তবে আবহাওয়া অফিস দিচ্ছেন দুঃসংবাদ এই বৃষ্টি থাকতে পারে আরো তিন-চারদিন। গেলো ২৯শে ই জুন (মঙ্গলবার) থেকে শুরু হয় বৃষ্টি তা আজ বৃহস্পতিবারও অব্যহৃত রয়েছে।সকাল থেকে অঝোরে ঝরছে বৃষ্টি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বৃষ্টির কারনে বেশ বসে বসে আড্ডা দিয়ে সময় কাটাচ্ছেন বন্দরের শ্রমিকরা। পর্যাপ্ত শেড না থাকায় ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য খালাস করতে পারছে না তারা। অপেক্ষায় আছেন বৃষ্টি থামবে কাজ করবেন তারা।

কথা হয় বন্দরের কাজ করতে আসা শ্রমিক রফিকুল,লতিফ,আব্দুস সোহবানের সাথে তারা জানান,কয়েকদিন থেকে বৃষ্টি হচ্ছে।বাসা থেকে কাজের উদ্দ্যেশে আসতেছি কিন্ত বৃষ্টির কারনে কাজ করতে পারছি না। বাসা থেকে লকডাউনের মাঝে দ্বিগুন ভাড়া দিয়ে কাজে এসে কোন দিন খালি হাতে বাড়িতে যেতে হচ্ছে আবার কখনও ৫০ টাকা কামায় হচ্ছে।এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের লোকজনদের খাবার নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। কাজ না হলে খাবো কি? ছেলে-মেয়েদের কি খাওয়াবো। আমাদের বন্দরের ভিতরে পর্যাপ্ত শেড না থাকায় বৃষ্টি আসলে আমরা কাজ করতে পারি না। তাই কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ শেড বেশি করলে বৃষ্টি আসলেও আমরা কাজ করতে পারবো।

হিলি পানামা পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন প্রতাব মল্লিক বলেন, আমাদের পানামা পোর্টে কাঁচা পণ্য ছাড়করণের জন্য ১৮টি শেড রয়েছে বৃষ্টির মধ্যে সেখানেও শ্রমিকরা পণ্য লোড-আনলোড করতে পারে।যেহেতু টানা বৃষ্টি হচ্ছে সেহেতু বন্দরে আমদানিকৃত সব পণ্য একবারে খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভার-প্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন বলেন,গেলো ২৯ই শে জুন থেকে দিনাজপুরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে এটি আরো তিন-চারদিন অব্যহৃত থাকবে। বৃষ্টির পরিমাণ আরো বাড়তে পারে। দিনাজপুরে সবোর্চ্চ ৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য