এবছর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে

জাতীয়

এবছর এসএসসি ও এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষাতে কোনভাবেই অটোপাশ হচ্ছে না। পরীক্ষা নেয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে। শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হলে অ্যাসাইনমেন্টের মূল্যায়নই হতে পারে পরীক্ষার বিকল্প। এসব কথা জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান।

করোনার সংক্রমন বাড়ায় গত বছর সম্ভব হয়নি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেয়া। ফলে বাধ্য হয়ে আইন সংশোধন করে অটোপাশ দিতে হয় সব পরীক্ষার্থীকে।

সরকারের পরিকল্পনা ছিল এবছর এসএসসিতে ৬০ এবং এইচএসসিতে ৮৪ দিন ক্লাস নিয়ে সর্ট সিলেবাসে পরীক্ষা নেয়া। কিন্তু এখন পর্যন্ত একটি ক্লাসও নেয়া সম্ভব হয়নি। ভরসা অ্যাসাইনমেন্ট। ফলে প্রশ্ন ওঠেছে এবারও কি অটোপাশই হচ্ছে দুই পর্যায়ে?

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক বলেন, এটা একেবারে নিশ্চিত এবার কোনভাবেই অটোপাশ হবে না, অর্থাৎ মূল্যায়ন হবে। আমরা এখনো আশা করছি আমাদের যে চিরাচরিত নিয়ম সেটিই আমরা অবলম্বন করতে পারবো। যদি কোন কারণে আমরা এই পরীক্ষা না নিতে পারি সেক্ষেত্রে বিকল্প কি করতে পারি সে বিষয়েই পরিকল্পনা গ্রহণ করছি।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নেহাল আহমেদ বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো পরীক্ষা নেয়ার জন্য। যদি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হয় তাহলে পরের চিন্তাটা আগে করতে হবে যাতে সময় ক্ষেপন না হয়।

পরীক্ষার বিকল্প চিন্তা করে অ্যাসাইনমেন্টের মূল্যায়ন পদ্ধতিও বদলানো হয়েছে। এখন খুব ভালো, ভালোর বদলে দেয়া হবে নম্বর।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, আমাদের শিক্ষকরা আগের মতই মূল্যায়ন করবেন তবে এবার একইসঙ্গে নম্বরও দিবেন। এ ছাড়া নম্বর কিভাবে দিবেন তারও একটি খুব সুন্দর নিয়মনীতি করে দিয়েছি যাতে করে শিক্ষার্থীদের কোথায়,কিভাবে,কখন, কাকে, কত নম্বর তিনি দিতে পারবেন।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের বলতে চাই অ্যাসাইন্টমেন্টগুলো যাতে তারা সিরিয়াসলি করে। কারণ এই অ্যাসাইন্টমেন্টই পাস-ফেলের মাধ্যম হতে পারে যদি আমরা পরীক্ষা না নিতে পারি। অ্যাসাইনমেন্টের ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনাও আগাবে বিষয় সম্পর্কেও জানা যাবে এবং পরবর্তী সময়ে অ্যাসাইন্টমেন্ট যদি বিকল্প চিন্তার অংশ হয়ে যায় তাহলে এটি কাজে লাগবে।

এরই মধ্যে এসএসসির ফরম পূরণ শেষ হয়েছে। তবে তারিখ ঘোষণা করেও নতুন করে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় স্থগিত করতে হয়েছে এইচএসসির ফরম পূরণ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য