আট মাস পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলো ইথিওপিয়া

আট মাস পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলো ইথিওপিয়া

আন্তর্জাতিক

আট মাস ধরে চলা যুদ্ধের শেষে তাইগ্রে প্রদেশে একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলো ইথিওপিয়া। এই যুদ্ধবিরতি আফ্রিকার দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল দেশটিতে শান্তি ফিরে আসতে পারে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বরাতে জানা যায়, ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার স্বপ্রণোদিত হয়ে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন, না কি পরিস্থিতিগত কারণে করতে বাধ্য হয়েছেন- তা এখনো স্পষ্ট নয়। সোমবার (২৮ জুন) তাইগ্রে প্রদেশের রাজধানী মেকেলের দখল নিয়েছে ইথিওপিয়ার সরকার বিরোধী সশস্ত্র রাজনৈতিক দল ‘তাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট’।

এক বিবৃতিতে দলের মুখপাত্র গেটাচিউ রেডা বলেন, “মেকেলের দখল সম্পূর্ণভাবে আমাদের হাতে।” জাতিসংঘের এক রিপোর্ট মোতাবেক, তাইগ্রে প্রদেশে যুদ্ধের ফলে কার্যত দুর্ভিক্ষের মুখে পড়েছে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষ।

সরকারের তরফে এক বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, জুনের ২৮ তারিখ থেকে চাষের মৌসুম শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি চলবে। কারণ মে থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ইথিওপিয়ায় চাষের মরশুম হিসেবে ধরা হয়। ওই সময়ের মধ্যেই দেশটির কৃষকরা ফসল ঘরে তোলেন।ইথিওপিয়ার ৯০ শতাংশ শস্য উৎপাদন হয় এই পাঁচ মাসে।

গত বছরের নভেম্বরে সরকার ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের মধ্যে তাইগ্রেতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই যুদ্ধবিরতিতে অনেক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক অবাক হয়েছেন। গত আট মাসে সেখানে সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে, সরকারি সেনা চলে যাওয়ার পর তাইগ্রের রাজধানী মেকেলের স্থানীয় বাসিন্দারা আনন্দ উচ্ছ্বাস করেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য