পঞ্চগড় আটোয়ারীতে মহামারী করোনার ছোবল, মৃত্যু-১

পঞ্চগড় আটোয়ারীতে মহামারী করোনার ছোবল, মৃত্যু-১

রংপুর

মোঃ ইউসুফ আলী, আটোয়ারী(পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে মহামারী করোনা ছোবল মেরেছে। ৩৫জনের মধ্যে ১১জন আক্রান্ত। একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী করোনা সংক্রমনে সন্দেহজনক ২১ জুন ১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়। যার ফলাফল ২৩ জুন সন্ধায় পাওয়া যায়। এতে উপজেলার আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের বামনকুমার গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী এক নারী, রামপুর গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী এক পুরুষ করোনা সনাক্ত হয়।

অপরদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ৩৬ বছর বয়সী এক নারীকর্মী বলরামপুর ইউনিয়নের সাতখামার গ্রামের বাসিন্দা একই দিনের ফলাফলে করোনা সনাক্ত হয়। ওই কর্মী বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে´ে করোনা টেস্টের নমুনা দিয়েছিলেন। মির্জাপুর ইউনিয়নের পানবারা গ্রামের খোকারাম(৬৫) ২১ জুন পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে করোনা টেস্টের নমুনা দিয়ে বাড়ী ফিরে আসেন। বাড়ীতে ২৩ জুন সকালে তার মৃত্যু হয়। দুপুরে আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে লাশের সৎকার করা হয়। ওই দিন সন্ধায় খোকারামের করোনা সনাক্তের ফলাফল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হস্তগত হয়।

২২ জুন সন্দেহমুলক ২৩জন ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়। ২৫জুন সন্ধায় করোনা সনাক্তের ফলাফল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে পৌছায়। এতে ২৩ জনের মধ্যে ৭জনের করোনা সনাক্ত হয়। এদের মধ্যে ৬২ বছর বয়সী একজন পার্শ্ববর্তী রুহিয়া থানার বাসিন্দা। অপর করোনা আক্রান্তরা হলেন, ধামোর ইউনিয়নের পুরাতন আটোয়ারী গ্রামের ৫১ বছর বয়সী এক পুরুষ , একই গ্রামের ৮ বছর বয়সী এক শিশু। রাধানগর ইউনিয়নের ছোটদাপ গ্রামের ৩১ বছর বয়সী এক যুবক, তোড়িয়া ইউনিয়নের কিসমতদাপ গ্রামের ২৫ বছর বয়সী এক যুবক , একই গ্রামের ৫০ বছর বয়সী একজন এবং কাটালী গ্রামের ৩৫ বছর বয়সী এক যুবক করোনা সংক্রমন সনাক্তের তালিকায় আছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. অফিসার ডা. মোঃ হুমায়ুন কবীর বলেন, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ করোনা প্রতিরোধে জনসচেতনতামুলক ব্যাপক প্রচারনা ও ফ্রি মাস্ক বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। তিনি বলেন,সাধারন জনগন নিজে সচেতন না হলে করোনা প্রতিরোধে আমাদের প্ররিশ্রম বৃথা হয়ে যাবে।

সচেতন মহলের মতে লকডাউন আর সাটডাউন ঘোষনা দিয়ে নয় ঘোষনা বাস্তবায়ন হলে করোনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। তবে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ লকডাউন আর সাটডাউন বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত পোষন করেছেন। অভিজ্ঞ মহলের মতে করোনা সংক্রমন রোধে সচেতনতার বিকল্প নাই। নিজে সচেতন হই-অপরকে সচেতন করি।নিজে বাঁচি অপরকে বাঁচতে সহযোগিতা করি।