বিনোদন খাতকে গুরুত্ব দিয়ে সৌদির ভিশন ২০৩০

বিনোদন খাতকে গুরুত্ব দিয়ে সৌদির ভিশন ২০৩০

আন্তর্জাতিক

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দেশটিতে নতুন যুগের সূচনা করতে চাইছেন। তাই সৌদি আরবকে আমূলে বদলে ফেলার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। এজন্য তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বের হতে চাইছেন তিনি। এরই অংশ হিসেবে নারী স্বাধীনতাসহ দেশটির বিনোদন খাতেও ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি সরকার। খবর আরব নিউজের।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১০ বছরে ফুলে ফেঁপে উঠবে দেশটির বিনোদন খাত। ২০২০ সালে এই খাতের পরিধি ছিলো ২৩ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন ডলার। অথচ ২০৩০ সাল নাগাদ এই খাতের পরিধি বেড়ে হবে ১১৭ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক এক জরিপে নতুন এই তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, প্রতি বছর এই খাতে ৪৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে।

জানা যায়, সৌদি আরবের বিনোদন খাত ব্যাপকভাবে বাড়ছে। সৌদি আরব একটি অনন্য এবং বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র তৈরিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে থাকবে অভিনব রাইডস, সাংস্কৃতিক বা ঐতিহাসিক আকর্ষণ এবং মেগা ক্রীড়া ইভেন্টও রয়েছে।

এই পরিবর্তনের পেছনে সৌদি সরকার একটি গুরুত্ব ভূমিকা পালন করেছে। এ লক্ষ্যে ২০১৬ সালে জেনারেল অথরিটি ফর এন্টারটেইনমেন্ট (জিএই) প্রতিষ্ঠা করেছে সৌদি সরকার। দেশটির বৃহত্তম বিনোদন প্রজেক্ট হলো কিদ্দিয়া প্রকল্প। ২০১৭ সালে এই প্রজেক্ট ঘোষণা করা হয়। রাজধানী রিয়াদ থেকে কিদ্দিয়া যেতে গাড়িতে ৪০ মিনিট লাগে। ২০১৮ সালের এপ্রিলে সেখানে কাজ শুরু হয়।

শহরটির ৩৬৬ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে একটি ফর্মুলা ওয়ান রেসিং ট্র্যাক, একটি সিক্স ফ্ল্যাগের থিম পার্ক, একটি ওয়াটার পার্ক, ফুটবল স্টেডিয়ামসহ স্পোর্টস ফ্যাসিলিটিস এবং তরুণ সৌদি অ্যাথলিটদের উন্নয়নের জন্য অবকাঠামো এবং ব্যাপক পরিসরে সাংস্কৃতিক, সৃজনশীল এবং শৈল্পিক কার্যকলাপের ব্যবস্থা থাকবে।

একই বছরের জানুয়ারিতে ফ্যালকন ফ্লাইটের নকশার কাজ শুরু হয়। এই থিম পার্কে রেকর্ড-ব্রেকিং রোলার কোস্টারটি হবে মূল আকর্ষণ, যা ২০২৩ সালে চালু হওয়ার কথা এবং এখানে ২৮টি রাইড এবং বিভিন্ন আকর্ষণ থাকবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য