মাদ্রাসা এবং হেফাজতের নামে আসা বিপুল নগদ অর্থের হদিস নেই

মাদ্রাসা এবং হেফাজতের নামে আসা বিপুল নগদ অর্থের হদিস নেই

জাতীয়

বাবুনগরী এবং তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ও হেফাজতের নামে আসা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তে নেমেছে দুদক।

হাটহাজারি মাদ্রাসা এবং হেফাজতে ইসলামের কার্যক্রম চালাতে বিভিন্ন মাধ্যম থেকেই আসতো বিপুল নগদ টাকা। মাদ্রাসার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বাইরে যার বেশিরভাগই জমা থাকতো আলমিরায়। হেফাজতের আমীর ও মাদ্রাসার পরিচালক শাহ আহমদ শফির মৃত্যুর পর মাদ্রাসা এবং সংগঠনের জন্য রেখে যাওয়া এসব অর্থের হদিস মিলছে না।

জুনায়েদ বাবুনগরী ও তার লোকজন এসব টাকা সরিয়ে ফেলছেন বলে অভিযোগ শফির অনুসারীদের। এদিকে হেফাজত নেতাদের কাছে কোন মাধ্যম থেকে টাকা এসেছে এবং তা কোথায় গেছে তার খোঁজে মাঠে নেমেছে দুদকের অনুসন্ধানী দল।

চট্টগ্রামের হাটহাজারি মাদ্রাসা। দেশি বিদেশি বিভিন্ন ব্যক্তির অনুদানেই চলে কওমী ঘরানার এই মাদ্রাসা।

ক্যামেরার সামনে কথা না বলার শর্তে মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক জানান, ব্যাংক চেকের বাইরে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে প্রতিমাসে যে নগদ টাকা আসতো তার বেশিরভাগই জমা হতো মাদ্রাসার কয়েকটি আলমিরায়।

এ মাদ্রাসা থেকেই পরিচালনা হতো হেফাজতে ইসলামের কার্যক্রম। সংগঠনের জন্যও বিভিন্ন মাধ্যমে আসতো অনুদান। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর এসব অর্থের হিসেব পাওয়া যায়নি।

শফির শ্যালক মঈনউদ্দিন ডিবিসি নিউজের কাছে অভিযোগ করলেন, মৃত্যুর আগে এবং পরে এসব টাকা সরিয়েছেন বিলুপ্ত হেফাজতে ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী এবং তার লোকজন।

তিনি বলেন, মাদ্রাসা এবং সংগঠনের নামে ক্যাশ ও ব্যাংকে টাকা ছিল কিন্তু এখন এসবের কোন হদিস নেই। মাদ্রাসাতে যখন হামলা চালানো হয় তখন তারা ভাঙচুর করে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। আমার মনে হয় এসব সম্পর্কে বাবুনগরী সবই জানে কারণ তার নেতৃত্বেই হামলা চালানো হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য