দিনাজপুর শহরের কসবায় বহুতল ভবন নির্মানের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

দিনাজপুর শহরের কসবায় বহুতল ভবন নির্মানের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

দিনাজপুর

সংবাদ সম্মেলনঃ ২০ শতক জমি দখলের জন্য দিনাজপুর শহরের কসবায় আদালতের নিষেধজ্ঞা অমান্য করে এবং অর্থনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বহুতল ভবন নির্মান করছে সেন্ট ফিলিপস হাই স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক মো: লুতফর রহমান।

৬ জুন রবিবার সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপরোক্ত অভিযোগ করেন কসবা নিবাসী মরহুম নৈমদ্দীন আহাম্মদের পুত্র মো: নুরুল ইসলাম। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত কোতয়ালী থানার কসবা মৌজার জে,এল নং ১০৬ এর ২১৬ নং খতিয়ানের ৪০৯ নং দাগের ২০ শতক (বাস্তভিটা) জমিতে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছেন। গত ২২/০৫/২১ ইং তারিখে মরহুম নৈমদ্দীন আহাম্মদের বড় ভাই মৃত মমির উদ্দীনের অংশীদারগন দিনাজপুর সদর যুগ্ম জজ আদালত(১) এর আদালতে একটি উচ্ছেদ মোকদ্দমা দায়ের করেন।

আদালত নালিশী জমিতে(স্ট্যাটাস) ইনজান্কশন জারী করে নির্দেশন দেন মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষ সকল প্রকার আইন-কানুন মেনে চলবে। পরবর্তীতে মামলাটি যুগ্ম জজ আদালত (২) এর আওতায় বিচারাধীন কার্য্যক্রম শুরু হয়। আদালতের মামলা নং ৪৯/১৪,মামলাটি দীর্ঘ বিচার শুনানী শেষে বর্তমানে রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

এরই মধ্যে সেন্ট ফিলিপস হাই স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক মো: লুতফর রহমান মাস্টার নালিশি জমি জমি সংযুক্ত বর্তমান জরিপ অনুযায়ী ৪০৪ নং দাগে জমি ক্রয় করে ৬ তলা বহুতল ভবন নির্মান শুরু করেন। তিনি বলেন,নালিশী জমিতে বিল্ডিং তৈরীর পূর্বেই জমির সীমানা জটিলতা সর্ম্পকে অবগত করলে শিক্ষক লুতফর রহমান মাস্টার কর্ণপাত করে নাই।

এছাড়াও শিক্ষক লুতফর জোরপূর্বক আদালতের নিষেধজ্ঞা অমান্য করে নালিশী দাগের সীমানার উপর বিল্ডিং নির্মান কাজ অব্যাহত রেখেছেন। প্রাচীরের সীমানা অতিক্রম করে বাঁেশর মাচাং তৈরী করে যাবতীয় কাজ করছে, যে কারণে নির্মানাধীন বির্ল্ডি এর ইট পাথরের টুকরা,হাতুরী,ছেনি এবং সাবল পরে ঘরের টিনের চাল ফুটোা হচ্ছে,কাঠ-বাঁশ,প্লাস্টিক,বালুসহ বিভিন্ন বর্জ্য বাড়ির আঙ্গিনায় পরায় নুরুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।

এব্যাপারে ২৫ মে পৌর মেয়রকে অভিযোগ করলে তিনি ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন এবং সে অনুযায়ী ওই দিনই পৌরসভার প্লান পর্যবেক্ষনকারী প্রকৌশলীর দপ্তর হতে ঘটনার তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পান। এরপরে ২৮/০৫/২১ পৌর কাউন্সিলর মুরাদ আহম্মেদ ঘটনাস্থলে স্বশরীরে বিষয়টি তদন্ত করে দেখেছেন। আদালতের নিষেধজ্ঞা ও পৌরসভায় অভিযোগের পরেও শিক্ষক লুতফর রহমান বিল্ডিং সম্পন্ন করতে পুনরায় আবারো অতিদ্রুত গতিতে কাজ করাচ্ছেন । যাতে প্রতিবেশী এবং জমির মালিক হিসেবে আমি চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও মানবাধিকার সংগঠন গুলোর কাছে আমার দাবী, আদালতের নিষেধজ্ঞা কার্য্যকর করা হউক এবং অসহায় একজন প্রতিবেশী মানুষ হিসেবে নিজ বাড়িতে বসবাসের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করুন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য