দিনাজপুরে পশুর কামড় এবং জলাতঙ্ক নজরদারি ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষন কর্মশালা

দিনাজপুরে পশুর কামড় এবং জলাতঙ্ক নজরদারি ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষন কর্মশালা

দিনাজপুর

দিনাজপুর সংবাদাতাঃ ৩ জুন বৃহস্পতিবার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের হলরুমে জুনোটিক ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী-ঢাকা’র আয়োজনে এবং দিনাজপুর সিভিল সার্জন অফিসের সহযোগিতায় দিনব্যাপী জলাতঙ্ক রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ নাজমুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডাঃ পারভেজ সোহেল রানা। তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনা করেন সার্ভিলেন্স মেডিকেল অফিসার, রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাখালী-ঢাকা’র ডাঃ মোঃ ফজলে রাব্বী। বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আরোজ উল্লাহ।

প্রধান অতিথি সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, কুকুর, বিড়াল, বেজি, বানোর, শেয়াল এই ৫টি প্রাণী কামড় বা আচর দিলে জলাতঙ্ক রোগ হয়। জলাতঙ্ক একটি ভয়ানক মরণব্যধি রোগ। এ রোগে মৃত্যুর হার শতভাগ। প্রতি বছর সারা বিশ্বে প্রায় ৫৯ হাজার মানুষ জলাতঙ্ক রোগে মারা যায়। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৫ থেকে ৬ লক্ষ মানুষ কুকুর, বিড়াল, শেয়ালের কামড় বা আচরের শিকার হয়ে থাকে। যাদের বেশির ভাগই শিশু।

এছাড়াও প্রায় ২৫ হাজার গোবাদী প্রাণী এ রোগের শিকার হয়ে থাকে। প্রত্যেক প্রাণীর কামড়ের ক্ষেত্রে রোগীর হাসপাতালে আগমণের পর ১৫ মিনিট ধরে ক্ষারযুক্ত সাবান পানি দিয়ে ধৌত করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শে ক্যাটাগরী-১, ক্যাটাগরী-২, ক্যাটাগরী-৩ হিসেবে চিকিৎসা প্রদান করা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য