পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ৫ দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ

পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ৫ দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ

রংপুর বিভাগ

সামসউদ্দীন চৌধুরী কালাম, পঞ্চগড় থেকেঃ করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমন রোধে এবং সর্তকতার অংশ হিসেবে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় (ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান) বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পাঁচ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। স্থানীয় মানুষের চাহিদার আলোকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত গতকাল রোববার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই বন্দর দিয়ে সকল আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পঞ্চগড় আমদানি-রপ্তানি অ্যাসোসিয়েশন। শনিবার রাতে সংগঠনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

স্থলবন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ভারত থেকে আমদানি পণ্য নিয়ে আসা ট্রাক চালকদের মাধ্যমে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পণ্য খালাসের সঙ্গে জড়িত শ্রমিক-চালকসহ কর্মজীবি মানুষজন। আর বাংলাবান্ধাসহ পুরো তেঁতুলিয়া উপজেলার তিন দিকে ভারত সীমান্ত থাকায় স্থানীয় ও উপজেলাবাসীর সুরক্ষার কথা চিন্তা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাংলাবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলন বলেন, দেশে গত কয়েকদিন আগে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন সীমান্ত উপজেলা তেঁতুলিয়ার মানুষজন। বিশেষ করে বন্দর সংশ্লিষ্ট স্থানীয়রা। তাই নিজের ও এলাকার সুরক্ষার কথা ভেবে একাধিকবার তারা বিষয়টি আমাকে জানান। বিষয়টি নিয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বন্দর সংশ্লিষ্ট লোকজনদের নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পঞ্চগড় আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা বলেন, অ্যাসোসিয়েশন থেকে রোববার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ছে। বিষয়টি বাংলাবান্ধার বিপরীতে ভারতের পশ্চিবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ি ইম্পোর্টার এক্সপোর্টার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য