লকডাউন বাড়ল আরো এক সপ্তাহের জন্য, তবে বাস-লঞ্চ-ট্রেন চলবে

লকডাউন বাড়ল আরো এক সপ্তাহের জন্য, তবে বাস-লঞ্চ-ট্রেন চলবে

জাতীয়

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে চলাচলে বিধিনিষেধ আরও এক সপ্তাহের জন্য বাড়িয়েছে সরকার।

তবে এবার আন্তঃজেলা গণপরিবহন চলাচল করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহন চলবে। কিন্তু ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী বহন করা যাবে। যাত্রীসহ সবাই মাস্ক পরা এবং স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

সেই সঙ্গে হোটেল-রেস্তোরায় বসে খাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে উভয় ক্ষেত্রে ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক সেবা দেয়া যাবে।

৩০শে মে মধ্যরাত পর্যন্ত এসব বিধিনিষেধ বহাল থাকবে।

চলাচলে বিধিনিষেধ বলা হলেও সরকারি অফিসে সীমিত কার্যাবলী ছাড়া আর সব ধরনের অফিস, ব্যবসা, দোকানপাট, যানবাহন চালু চলছে।

এর আগে বিধিনিষেধ বাড়ানো হলেও দোকানপাট-শপিংমল খোলা রাখার সুযোগ, শহরের ভেতরে গণপরিবহন চালুর অনুমতি দেয়া হয়েছিল।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হারে ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে এপ্রিল মাসের পাঁচ তারিখে সরকার প্রথম দফা লকডাউন আরোপ করে।

সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী এই বিধিনিষেধকে ‘লকডাউন’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল। কিন্তু দৃশ্যত প্রথম দিন থেকেই কোথাও লকডাউনের লেশমাত্র ছিলনা। দোকানপাট ও গণপরিবহন চালু থাকার কারণে সংক্রমণ পরিস্থিতিতে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। সরকারি অফিস সীমিতভাবে চললেও বেসরকারি অফিস খোলা থেকেছে।

এরপর সরকার ১৪ই এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনে যায়, যাতে বন্ধ ছিল গণপরিবহন এবং দোকানপাট।

কিন্তু এর পরের সপ্তাহ থেকে দোকানপাট খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলও চালু করে দেয়া হয়। তবে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রয়েছে।

তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ অব্যাহত থাকায় জাতীয় পরামর্শক কমিটি আরও কিছুদিন বিধিনিষেধ বহাল রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

২০২০ সালের মার্চ মাসের শেষের দিক থেকে যে ‘লকডাউন’ দেয়া হয়েছিল সেটি প্রায় দুই মাস চলেছে নানা বিধি-নিষেধের আওতায়। কিন্তু এই বছরের বিধিনিষেধে তেমন চিত্র দেখা যায়নি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য