দিনাজপুরে ঈদ আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই আগুন কেড়ে নিলো এক পরিবারের সর্বস্ব

দিনাজপুরে ঈদ আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই আগুন কেড়ে নিলো এক পরিবারের সর্বস্ব

দিনাজপুর

দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরে ঈদ আনন্দের রেশ না কাটতেই আগুন কেড়ে নিলো এক পরিবারের সর্বস্ব। সকল মানষের ন‍্যায় হাফিজুদ্দিনের পরিবারেও ঈদ আনন্দের কোন ব‍্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু হাফিজুদ্দিনের পরিবারে ঈদের আনন্দকে ম্লান করে দিল আগুনের বিভিষিকা। এমন ই এক ঘটনার অবতারনা হয়েছে দিনাজপুর সদর উপজেলার ১০নং কমলপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের ভুন্দাপাড়া নামক স্থানে জনৈক হাফিজুদ্দিনের পরিবারে।

১৫মে রাত আনুমানিক ১২টায় বৈদ‍্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট আগুনের স্ফুলিঙ্গ ক্রমশই বেড়ে সমস্ত বাড়িতে ছরিয়ে পরে। পরিবারের লোকজন প্রানে বের্চেঁ গেলেও আগুনের হাত থেকে রক্ষা পায়নি বাড়ির সমস্ত আসবাবপত্র, গবাদিপশু ছাগল, ভেড়া ও হাঁস মুরগি। বাড়ির গরুগুলোকে রক্ষা করতে গিয়ে নিজেরই শরীর ঝলসে গেছে হাফিজুদ্দিনের দ্বিতীয় পুত্র মাসুদ রানার। বর্তমানে সে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক‍্যাল কলেজের হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানান হয়।

তবে বৈদ‍্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার কিছুক্ষন পরেই যখন আগুন চারিদিকে ছরিয়ে পরে এবং বটারি চালিত অটো রিক্সাতেও আগুন লেগে ব‍্যাটারি প্রচন্ড শব্দে বাস্ট হয় তখনই পরিবারের লোকজন টের পায়। তৎক্ষনাৎ পল্লী বিদ‍্যুৎ এ কল দিয়ে লাইন অফ করতে এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেবার কিছুক্ষনের মধ‍্যে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভাতে সক্ষম হলেও রক্ষা করতে পারিনি পবিবারের মালামাল ও ছাগল হাসঁ মুরগি সহ অন‍্যান্য জিনিসপত্র।

১০নং কমলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জুয়েলের সাথে কথা বললে তিনিও জানান যে বৈদ‍্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সুত্রপাত তবে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে থেকে তিনি সার্বিক সহোযোগিতার আশ্বাস দেন। সেই সাথে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারদের সাময়িক থাকার জন‍্য স্থানীয় লোকজনের সহোযোগিতায় ঘরটি নির্মান করে দেয়া হচ্ছে যাতে করে তারা মাথাটা গুজতে পারে।

হাফিজুদ্দিনের পরিবার থেকে জানায় প্রায় সাড়ে আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকার মালামাল আগুনে পুড়ে ধ্বংস হয়ে গেছে। আগুন তাদের পরিবারের সর্বস্ব কেড়ে নিয়েছে তাদের বেচেঁ থাকার ও জীবন জীবিকার একমাত্র অবলম্বন ব‍্যাটারিচালিত ইজিবাইকটিও পুড়ে যাওয়ায় বর্তমানে তারা নিঃস্ব ও অসহায়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য