মহাকাশে সিনেমার শুটিংয়ে যাচ্ছেন টম ক্রুজ ও ইউলিয়া

মহাকাশে সিনেমার শুটিংয়ে যাচ্ছেন টম ক্রুজ ও ইউলিয়া

বিনোদন

মহাকাশ নিয়ে এই প্রথমবার পূর্ণদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রের শুটিং হবে মহাকাশেই। সেই লক্ষ্যেই মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে রাশিয়া ও আমেরিকার দুই বিখ্যাত অভিনেতা ও অভিনেত্রীকে, সঙ্গে যাবেন দুই পরিচালকও।

আলাদা আলাদা অভিযানে অভিনেতা, অভিনেত্রী, পরিচালকদের মহাকাশে পাঠাবে আমেরিকা ও রাশিয়া। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ও রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমস এই খবর দিয়েছে।

রসকসমস জানিয়েছে, পূর্ণদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রের শুটিঙের জন্য ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৩৭০ মাইল উপরে পৃথিবীর কক্ষপথে প্রদক্ষিণরত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠানো হবে দেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী য়ুলিয়া পেরেসলিডকে। অক্টোবরের গোড়ার দিকে। তার সঙ্গী হবেন রাশিয়ার জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালক ক্লিম শিপেঙ্কো।

নাসা-ও জানিয়েছে, পূর্ণদৈঘ্যের চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের জন্য পাঠানো হচ্ছে হলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা টম ক্রুজকে। তার সঙ্গী হবেন পরিচালক ডগ লিম্যান। আর তা হতে যাচ্ছে অক্টোবরেই। এই অভিযানে সহায়তা করছেন স্পেস-এক্স সংস্থার কর্ণধার এলন মাস্কও।

রসকসমস সূত্রের খবর, শুটিংয়ের জন্য মহাকাশ স্টেশনে যেতে অভিনেত্রী পেরেসলিড এবং পরিচালক শিপেঙ্কোকে নিয়ে রকেট উৎক্ষেপণের জন্য প্রাথমিকভাবে ৫ অক্টোবর দিনটির কথা ভাবা হয়েছে। তবে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

বিজ্ঞানীদের একাংশের বক্তব্য, মহাকাশে আগে কে, এই প্রতিযোগিতা এবার শুরু হতে চলেছে চলচ্চিত্রের শুটিং নিয়েও।

হলিউড অভিনেতা টম ক্রুজের বয়স ৫৯ বছর। রুশ অভিনেত্রী পেরেসলিডের বয়স ৩৬। তার যাত্রাসঙ্গী পরিচালক শিপেঙ্কোর বয়স ৩৭ বছর।

প্রায় শূন্য অভিকর্ষ বল (মাইক্রোগ্র্যাভিটি) যেখানে, সেই মহাকাশ স্টেশনে পাঠাতে অভিনেত্রী ও পরিচালক বাছাইয়ে কী কী বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে?

রসকসমস সূত্রের খবর, যারা যাবেন তাদের বয়স ২৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, আর শরীরের ওজন ৫০ থেকে ৭০ কিলোগ্রামের মধ্যে রাখার সীমা ধরা হয়েছে। তাদের বুকের ছাতি চওড়া হতে হবে অন্তত ১১২ সেন্টিমিটার। এছাড়াও মহাকাশ অভিযাত্রীদের সাড়ে ৩ মিনিটে ১ কিলোমিটার দৌড়ানো, ২০ মিনিটে ফ্রিস্টাইলে ১০০ মিটার সাঁতার কাটা ও ৩ মিটার উঁচু স্প্রিংবোর্ড থেকে জলে ঝাঁপ দেওয়ার মতো দক্ষতা থাকতে হবে।

এর আগে ‘ইন্টারস্টেলার’, ‘গ্র্যাভিটি’, ‘মুন’, ‘স্টার ট্রেক’, ‘স্টার ওয়র্স’, ‘দ্য মার্শিয়ান’, ‘সোলারিস’, ‘ফার্স্ট ম্যান’-এর মতো অত্যন্ত জনপ্রিয় মহাকাশভিত্তিক চলচ্চিত্রগুলোর সবক’টিই নির্মিত হয়েছিল হলিউডের স্টুডিওতে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য