কক্ষপথে নতুন মহাকাশ স্টেশনের প্রথম মডিউল পাঠাল চীন

কক্ষপথে নতুন মহাকাশ স্টেশনের প্রথম মডিউল পাঠাল চীন

আন্তর্জাতিক

মহাকাশে উপস্থিতি নিয়ে উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চীন যে নতুন স্থায়ী স্টেশন বানানোর পরিকল্পনা করছে, তার গুরুত্বপূর্ণ একটি ইউনিট পৃথিবীর কক্ষপথে পৌঁছেছে।

১৬ দশমিক ৬ মিটার লম্বা ও ৪ দশমিক ২ মিটার প্রশস্ত তিয়ানহে নামের ওই মডিউলে ক্রুদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ওয়েনচ্যাং স্পেস লঞ্চ সেন্টার থেকে লং মার্চ-৫বি রকেটে করে মডিউলটি পাঠানো হয় বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

আগামী বছর থেকেই নতুন এ মহাকাশ স্টেশনটি চালু করা যাবে বলে আশা করছে চীন।

বর্তমানে পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা একমাত্র স্টেশন হচ্ছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন; রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপ ও জাপানের সমন্বিত উদ্যোগের ফসল এই স্টেশনের সঙ্গে চীন নেই।

সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীন অনেক পরে মহাকাশ অভিযান শুরু করে। ২০০৩ সালে তারা প্রথম পৃথিবীর কক্ষপথে নভোচারী পাঠায়।

চীন এখন পর্যন্ত কক্ষপথে দুটি মহাকাশ স্টেশন পাঠিয়েছে। তিয়াংগং-১ ও তিয়াংগং-২ নামের ওই দুটি স্টেশন ছিল পরীক্ষামূলক। সেসব স্টেশনের মডিউলগুলোতে নভোচারীরা তুলনামূলক অল্প সময় থাকতে পারতেন।

একাধিক মডিউলবিশিষ্ট ৬৬ টন ওজনের তিয়াংগং স্পেস স্টেশনটি অন্তত ১০ বছর সচল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন এই স্টেশনের মূল অংশই হচ্ছে তিয়ানহে মডিউল।

বেইজিং আগামী বছরের মধ্যে আরও অন্তত ১০টি উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাকি সব মডিউল ও যন্ত্রাংশ কক্ষপথে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের অবসরে যাওয়ার কথা রয়েছে; তেমনটা হলে পৃথিবীর কক্ষপথে তখন একমাত্র স্টেশন হিসেবে চীনের এই তিয়াংগংই থাকবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য