দিনাজপুর কাহারোলে ভিজিডি কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

দিনাজপুর কাহারোলে ভিজিডি কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

দিনাজপুর

দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সঞ্চয় কুমার মিত্রের বিরুদ্ধে ভিজিডি কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সঠিক তালিকা তৈরীর জন্য ওই ইউনিয়নের এক সদস্য জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করেছে।

সম্প্রতি রসুলপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সারদা কান্ত রায় দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক বরাবর সঠিক তালিকা তৈরীর জন্য লিখিত অভিযোগ করেছে।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, চলতি অর্থ বছরে রসুলপুর ইউনিয়নে ৯টি ওয়ার্ডের জন্য ৩৮০টি কার্ড বরাদ্দ দেয়া হয়। ভিজিডি কার্ড বন্টনের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে জনসংখ্যা হারে উপকারভোগী বাছাই করে এই কার্ড বরাদ্দ দেয়ার কথা থাকলেও তা দেয়া হয়নি। ৪নং ওয়ার্ডের রসুলপুর গ্রামে ৪০-৫০টি নৃ-গোষ্ঠী পরিবার রয়েছে। কিন্তু ঐ সকল নৃ-গোষ্ঠী পরিবারকে ভিজিডি কার্ড দেওয়া হয়নি। ভিজিডি কর্মসূচীর নীতিমালা অনুযায়ী দুঃস্থ্য পরিবারের মহিলাগণ অনলাইনে আবেদন করবেন। আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে কমিটি থাকে। কমিটিতে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য, সহকারী শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও একজন এনজিও প্রতিনিধি রাখা হয়। কিন্তু ৪নং ওয়ার্ডে তা করা হয়নি। এছাড়াও যাচাই-বাছাইয়ে তাদের আবেদন বাতিল করা হয়, তাদের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কারণ থাকে। কিন্তু ওই ওয়ার্ডে যাচাই-বাছাইয়ে যাদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে তাদের কোন কারণ দেখানো হয়নি।

এব্যাপারে ইউপি সদস্য সারদা কান্ত রায় বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে জনসংখ্যার ভিত্তিতে ভিজিডি কার্ডের চুড়ান্ত তালিকা করার জন্য চেয়ারম্যানকে অনেক বার বলা হলেও তিনি তা আমলে নেননি। এছাড়াও একই ইউনিয়নের অন্যান্য ওয়ার্ডে ৫০ থেকে ৫৫টি কার্ড বরাদ্দ দেয়া হলেও আমার ওয়ার্ডে দেয়া হয়েছে মাত্র ৩৩টি। এছাড়াও অন্যান্য ওয়ার্ডে কার্ড বিতরণে সাধারণ মানুষের কাছ চেয়ারম্যান টাকা নিয়েছে।

রসুলপুর ইউপি চেয়ারম্যান সঞ্চয় কুমার মিত্র বলেন, সকলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ও সকল বিধি বিধান মেনে ভিজিডি তালিকা চুড়ান্ত করা হয়েছে। আমি একাই এই তালিকা করিনি। সংশ্লিষ্ট সদস্যগনের সমন্বয়ে চুড়ান্ত তালিকা করা হয়েছে। এই ইউনিয়নে কার্ড বিতরণে কোন ধরনের অনিয়ম হয়নি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য