সংবাদ সম্মেলনে আপহৃত কন্যা সন্তানকে উদ্ধারের জন্য এক পিতার আকুতি

সংবাদ সম্মেলনে আপহৃত কন্যা সন্তানকে উদ্ধারের জন্য এক পিতার আকুতি এবং ক্ষোভ

দিনাজপুর

সংবাদ সম্মেলনঃ দিনাজপুরের পার্বুতীপুরে অপহরণের ২১ দিন পরেও নাবালিকা রিমা মার্ডি(১৪)কে আজো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। পরিবারের সদস্যরা বারংবার কন্যার খোঁজে থানায় গেলেও পুলিশ তাদের টালবাহানা করে ফিরিয়ে দিচ্ছে। থানা পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহনে গড়িমসির অভিযোগ।

২৬ এপ্রিল সোমবার সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অপহৃত কন্যা রিমা মার্ডিকে ফিরে পেতে প্রশাসনের সহযোগীতা চেয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন পাবুর্তীপুরের মহাদেবপুর গ্রামের শ্রী পিতা নরেশ মার্ডি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,আমার নাবালিকা কন্যা রিমা মার্ডি জয়পুরহাট খঞ্জনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীতে ছাত্রী। চলতি করোনাকালিন দূর্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের কারনে নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছিলো। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিত ভাবে গত ৫ এপ্রিল বিকালে মহাদেবপুর গ্রামের নিজানীর মোড় হতে ফুলবাড়ি উপজেলার গনিপুর আর্দশগ্রামের জহন হাঁসদা‘র পুত্র সন্ত্রাসী মতিলাল হাঁসদা‘র নেতৃত্বে আলবিনুস বাসকি,মানুয়েল বাসকি,চৌকী বাসকি,উথোরেন বাসকি,বাবুরাম বাসকিসহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ মিলে রিমা মার্ডিকে জোরপূর্বক মোটর সাইকেলে তোলার জন্যে টানা হেচড়া শুরু করে একপর্যায়ে গাড়িতে তুলেই নেয়। কন্যার চিতকার চেচামেচিতে আশপাশের লোকজন আসতে থাকলে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র উচিয়ে ভীতি সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়। আমরা জানিনা, আমার কন্যা রিমা এখন কোথায় এবং কিভাবে আছে, আদৌ বেঁচে আছে কিনা তা নিয়েও আমি শংকিত।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, অপহরনকারীরা পরিচিত হওয়ায় কন্যাকে উদ্ধারের জন্য আমার ভাই গনেশ মার্ডি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারা বিভিন্ন চেষ্টা তদবির করে বিফল হন। পরে বাধ্য হয়েই গত ১০ এপ্রিল মতিলাল হাঁসদা ও আরো ৫জনের নাম উল্লেখসহসহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজনের নামে অপহরন মামলা করেেলও পুলিশ কোনোরুপ গুরুত্ব দিচ্ছে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার দাবী স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগীতায় আমার নাবালিকা কন্যা উদ্ধার করে দিন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শ্রী নরেশ মার্ডি। এসময় উপস্থিত ছিলেন রবি সরেন,জোসেফ সরেন,গনেশ মার্ডি ও তিমথি মার্ডি প্রমুখ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য