মা-বাবা’কে মারপিটের আভিযোগে দিনাজপুরে ছেলে গ্রেফতার

দিনাজপুর

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে সম্পত্তির লিখে দেয়ার দাবীতে পিতা-মাতাকে মারপিটের অভিযোগে মা’র দায়ের করা মামলায়, ছেলে রশিদ বাবু (৩২)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পলাতক রয়েছে একই মামলার আসামী ছেলে রশিদ বাবুর স্ত্রী আঞ্জুমান বেগম।

বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার বারাইপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় মা’র দায়ের করা মামলায গ্রেফতার রশিদ বাবু (৩২) উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের জয়নগর বারাইপাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ জানায় সম্পত্তি লিখে নেয়ার দাবীতে পিতা-মাতাকে মারপিট করার অভিযোগে উপজেলার বারাই পাড়া গ্রামের শহিদুলের স্ত্রী রেজিনা বেগম বাদি হয়ে তার নিজ সন্তান ধৃত রশিদ বাবু ও রশিদ বাবুর স্ত্রী আঞ্জুমানকে আসামী করে মামলা দায়ের করায়, পুলিশ রশিদ বাবুকে গ্রেফতার করেছে।

মামলা সুত্রে জানাগেছে, রশিদ বাবু ও তার স্ত্রী আঞ্জুমান বেগম দির্ঘদিন ধরে তার পিতা শহিদুল ইসলাম ও মাতা রেজিয়া বেগমকে তাদের সমস্ত সম্পত্তি তার নামে লিখে দেয়ার জন্য দাবী জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তার পিতা-মাতা শহিদুল ইসলাম ও রেজিনা দম্পত্তি অন্য ছেলে-মেয়েদের কথা চিন্তা করে রশিদ বাবু ও তার স্ত্রীর নামে সম্পত্তি লিখে না দেয়ায়, রশিদ বাবু ও তার স্ত্রী আঞ্জুমান বেগম বিভিন্ন সময় রশিদ বাবুর পিতা শহিদুল ইসলাম ও মা রেজিনা বেগমকে ভয়ভিতিসহ হুমকি দিয়ে আসছেন।

এরই জের ধরে চলতি সনের ৭ই মার্চ দুপুরে রশিদ বাবু ও তার স্ত্রী আঞ্জুমান সম্পত্তি লেখে দেয়ার জন্য দাবী জানায়, কিন্তু তাদের দাবী অনুযায়ী জমি লিকে না দেয়ায় রশিদ বাবু ও তার স্ত্রী তার পিতা-মাতাকে অকথ্য ভাষায় গালীগালাজ করে এবং মারপিট করে জখম করে বাড়ী থেকে বের করে দেয়। এরপর শহিদুল ইসলাম ও রেজিয়া বেগম দম্পত্তি তাদের মেয়ের বাড়ীতে আশ্রয় নিয়ে। শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও রশিদ বাবু’র মা রেজিয়া বেগম বাদী হয়ে রশিদ বাবু ও তার স্ত্রী আঞ্জুমানকে আসামী করে দিনাজপুর প্রথম শ্রেনীর ম্যাজিষ্ট্রেড আদালতে মামলা দায়ের করলে, সেই মামলায় রশিদ বাবুতে আটক করে পুলিশ।

ফুলবাড়ী থানার ওসি ফখরুল ইসলাম ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের নিদের্শে মামলাটি নথি ভুক্ত করে আসামী রশিদ বাবুকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। অপর আসামী রশিদ বাবুর স্ত্রী আঞ্জুমানকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে বলে তিনি জানান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য