নতুন এক জরিপে করোনাভাইরাসের টিকার সাফল্য দেখা যাওয়ার পর লকডাউন সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করছে ইসরায়েল। রবিবার থেকে দেশটির দোকান, লাইব্রেরি এবং জাদুঘর খুলে দেওয়া হচ্ছে তবে মাস্ক পরা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, এটাই স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রথম ধাপ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

টিকাদানে দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ইসরায়েল। দেশটির ৪৯ শতাংশেরও বেশি মানুষ অন্তত এক ডোজ টিকা ইতোমধ্যে নিয়ে ফেলেছে। নতুন এক জরিপে দেখা গেছে দেশটিতে প্রয়োগ করা ফাইজারের টিকা হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যু থেকে ৯৮.৯ শতাংশ সুরক্ষা দেয়।

নতুন করে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে থাকায় গত ২৭ ডিসেম্বর ইসরায়েলে শুরু হয় তৃতীয় পর্যায়ের লকডাউন। তবে এবারে তা শিথিল করায় মানুষ এখন থেকে শপিং মল এবং পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে প্রবেশ করতে পারবে।

এছাড়া জিমনেশিয়াম, হোটেল এবং উপসানালয়গুলোও খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে এগুলোতে প্রবেশ করতে প্রয়োজন হবে ‘গ্রিন পাসপোর্ট।’ কেবলমাত্র টিকা নিলেই গ্রিন পাসপোর্ট দিচ্ছে দেশটি। এছাড়া ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষদের বর্তমানে টিকা দেওয়া হচ্ছে না। তারাও এই গ্রিন পাসপোর্ট পাচ্ছেন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ইস্যু করা এই পাসপোর্ট ছয় মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার এক সপ্তাহ পর থেকেই এটি পাচ্ছে দেশটির মানুষ।

গত শনিবার ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয় জরিপে দেখা গেছে যারা ফাইজারের ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাদের করোনাভাইরাসে অসুস্থতার পরিমাণ ৯৫.৮ শতাংশ কমে গেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ৫০ বছরের বেশি বয়সী ৯৫ শতাংশ নাগরিক টিকা নিতে পারবেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য