বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সুজালপুর মৌজার জে,এলনং- ১৬৭, খাস খতিয়ান নং-১, দাগ নং -২৫৫ এর দাঙ্গা ২.৩৩ একর জমিতে অবস্থিত সাধারণের জন্য ব্যবহার্য ঐতিহ্যবাহী আদি কুমের দাঙ্গা শ্মশানঘাট। কালক্রমে এই শ্মশানের জমি দখলদারদের দৌরাত্বে প্রতিনিয়ত কমে অনেকাংশই আবাদি জমিতে রূপান্তরিত করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আদি কুমের দাঙ্গা শ্মশান কমিটির সভাপতি গোকুল চন্দ্র রায় ও সাধারণ সম্পাদক সুমন চন্দ্র রায় জানান, কুমের ডাঙ্গা শ্মশানে ব্রিটিশ আমল থেকে উপজেলার সুজালপুর, নিজপাড়া, কুমরপুর সহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার হিন্দু ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের পূর্ব পুরুষ হতে অদ্যাবধি মৃতের দাহ কার্য সম্পন্ন করে আসছে। কিন্তু কিছু অসাধু ভূমিদস্যু ব্যক্তি হিন্দু ও আদিবাসীর কবর থাকা সত্বেও শ্মশানের মাটি কেটে জবর দখলের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দখলে বাধা দিলে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করছে।

সম্প্রতি সুজালপুর পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ড আরিফ বাজারে বসবাসকারী বৃত্তশালী ২টি ট্রাকের মালিক কলিম উদ্দিনের ছেলে মো: আজিজুল ইসলাম তহসিল অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে উল্লেখিত শ্মশানের ১.৬৭ একর জমি নিজ নামে পত্তন করে নেয়।

এ ব্যাপারে ২২/০২/ ২০২০ইং সাধারণের ব্যবহার্য জমি অবৈধ পন্থায় পত্তন নেয়ায় আজিজুলের ১.৬৭ একর জমির পত্তন বাতিল পূর্বক দখলদারদের হাত থেকে উদ্ধার করে পুনরায় ঐতিহ্যবাহী কুমের দাঙ্গা শ্মশানঘাটের নামে ২.৩৩ একর জমি পত্তনের জন্য সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে অনুলিপি প্রেরন সহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে শ্মশান কমিটির সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক কতৃক যৌথ সাক্ষরিত আবেদন করা হলেও বছর পেরিয়ে এখন অব্দি কোনো প্রকারের ব্যবস্থা গ্রহন পরিলক্ষিত না হওয়ায় ভুক্তভোগীরা উর্ধতন কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য