জাপানে বিশেষায়িত সিরিঞ্জ স্বল্পতার কারণে কয়েক লাখ মানুষ ফাইজারের করোনা ভ্যাকসিন নিতে পারবেন না। এই পরিস্থিতি দেশটির ভ্যাকসিন কর্মসূচিতে হতাশা তৈরি করতে পারে। কারণ এর ফলে পরিকল্পনা অনুসারে ৭ কোটি ২০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এখবর জানিয়েছে।

জাপানি স্বাস্থ্যমন্ত্রী নরিহিসা টামুরা জানান, মার্কিন প্রস্তুতকারীরা যে ভায়ালে ভ্যাকসিন দিয়েছে তা থেকে জাপানে ব্যবহৃত সাধারণ সিরিঞ্জ ষষ্ঠ ডোজ সংগ্রহ করতে পারে না। ফলে প্রতিটি ভায়ালের ১ ডোজ ভ্যাকসিন অব্যবহৃত থাকছে।

প্রতিটি ভায়ালে ৬ ডোজ হিসেব করে ৭ কোটি ২০ লাখ মানুষের জন্য ১৪ কোটি ৪০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন ফাইজারের কাছ থেকে কিনেছে জাপান। কিন্তু ‘লো ডেড’ সিরিঞ্জ স্বল্পতার কারণে প্রতিটি ভায়াল থেকে ৫ ডোজ করে সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে। যা ৬ কোটি মানুষের জন্য যথেষ্ট।

জাপান সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদনকারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে এই বিশেষায়িত সিরিঞ্জের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য।

শুধু জাপান নয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও একই সমস্যায় পড়েছে। ফলে অতিরিক্ত ভ্যাকসিন কেনার প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে।

মধ্য ফেব্রুয়ারিতে করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু করে জাপান। শুরু থেকেই স্বাস্থ্য কর্মীরা ভায়াল থেকে ষষ্ঠ ডোজ সংগ্রহ করতে পারছিলেন না। ফলে তা ফেলে দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, যখন চুক্তি স্বাক্ষর হয় তখন আমরা একেবারে নিশ্চিত ছিলাম না যে এক ভায়ালে ৬ ডোজ দেওয়া যাবে। অস্বীকার করার উপায় নেই যে অনেক দেরিতে আমরা বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য