নীলফামারী জেলায়ও করোনার টিকা দেয়া শুরু, প্রথম করোনার ভ্যাকসিন নেন নার্স রাহেনা

রংপুর বিভাগ

সৈয়দপুর, নীলফামারীঃ সারা দেশের ন্যায় নীলফামারী জেলায়ও করোনার ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারি সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের প্রথম বুথে করোনার ভ্যাকসিন গ্রহন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর নার্স সুপারভাইজার রাহেনা বেগম। তার বাড়ি শহরের নতুন বাবুপাড়ার হাজি কলোনি এলাকায়। এরপর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ডা.আবু মোহাম্মদ আলেমুল বাশার ও ১০০ শয্যা হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা.মো. শহীদুল্লাহসহ ১০ জন। এখানে ডোজ এসেছে ৮৬৫০ এবং রেজিঃ করেছে ৯০১ জন। অপরদিকে নীলফামারীতে প্রথম করোনার ভ্যাকসিন নেন নার্স জেসমিন নাহার সেতু। এরপর সদও থানার পুলিশ পরিদর্শক মাহমুদ-উন-নবী, সাংবাদিক আস্তাক, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবিরসহ কয়েকজন। সকাল ১১টা ২০ মিনিটে এটির শুভ উদ্বোধন করা হয়। নীলফামারী জেলায় রয়েছে ৮টি বুথ এবং ৫টি উপজেলায় রয়েছে ৩টি করে। প্রয়োজনে আরো ব্যবহার করা হবে ৫টি বুথ। ভিডিও কনফারেন্স এ উদ্বোধন কালে ছিলেন সাংসদ আসাদুজ্জামান নুর. জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী,সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবির। জেলায ৬০ হাজার ডোজ টিকা এসেছে। সেখান থেকে প্রথম পর্যায়ে জেলায় প্রদান করা হবে ৩০ হাজার জনকে। ১৫ ক্যাটাগরিতে প্রথম সারির তালিকায় রয়েছেন ২৬ হাজার ১১০ জন। ওই ৬০ হাজার ডোজ টিকা উপজেলায় বিভাজন করে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে জেলা সদরে ১৪ হাজার ২৩০, জলঢাকায় ১১ হাজার ১৪০, ডিমলায় ৯ হাজার ২৭০, সৈয়দপুরে ৮ হাজার ৬৫০, কিশোরীগঞ্জে ৮ হাজার ৫৪০, ডোমারে ৮ হাজার ১৬০ ডোজ। সৈয়দপুওে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ, ১০০ শয্যা হাসপাতালের ডা. আবদুর রহিমসহ অনেকে।

ডিমলা, নীলফামারীঃ নীলফামারীর ডিমলায় সারাদেশের ন্যায় করোনা ভ্যাকসিন (টিকাদান) কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে করোনা ভ্যাকসিন (টিকাদান) কর্মসূচিতে সুরক্ষা অ্যাপসে নিবন্ধনের মাধ্যমে ডিমলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম টিকা গ্রহনের মধ্যদিয়ে ওই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় প্রথম দিনে নিবন্ধনের মাধ্যমে করোনা টিকা গ্রহন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও)জয়শ্রী রানী রায়, ডিমলা থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ সারোয়ার আলম ও ডিমলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম লিটন প্রমুখ। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ সারোয়ার আলম বলেন, বাংলাদেশ সরকার কতৃক উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ৯ হাজার ২৭০ ডোজ ভ্যাকসিন(টিকা)বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যা ৪ হাজার ৬৩৫ জন ব্যক্তির মাঝে প্রথম ডোজ প্রদানের একমার পর ২য় ডোজ টিকা প্রদান করা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য