ঠোঁটকে কোমল ও আকর্ষণীয় করে তুলার ৫টি উপায়

সাজগোজ টিপস

অনেক নারীই মেকআপ করতে পছন্দ করেন না। তারা হালকা সাজের মাধ্যমেই নিজেকে অনেক সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে পরিবেশন করতে পারেন। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে অধিকাংশ নারীই ঠোঁটে লিপস্টিক ব্যবহার করেন। কারণ ঠোঁট মানুষের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। তাই এর যত্ন একটু বেশিই নেয়া হয়। সাধারণত মানুষ কাউকে দেখলে প্রথমেই চোখ পড়ে মুখ ও ঠোঁটে।

ঠোঁটের যত্ন বিভিন্নভাবে নিয়ে থাকেন নারীরা। তবে গাঢ় লিপস্টিক খুব কমই ব্যবহার করেন। কেউ কেউ তো লিপস্টিকই পছন্দ করেন না। তাই বলে কি নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলার এই ঠোঁটের যত্ন নেয়া থেমে থাকতে পারে! লিপস্টিকের বিকল্প কিছু উপাদান রয়েছে যা নিয়মিত ব্যবহারে দিন কি রাত সবসময় স্নিগ্ধ দেখাবে আপনাকে।

চ্যাপস স্টিক : টিনেজদের জন্য খুবই ভালো একটি লিপ কালার এটি। তবে প্রায় সকল বয়সের নারীই ব্যবহার করতে পারেন এটি।

লিপ গ্লস : লিপস্টিকের বিকল্প হিসেবে খুবই দারুণ একটি মেক আপ এই লিপ গ্লস। নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ঠোঁটকে উজ্জ্বল করে তোলে এটি। ঠোঁটকে চকচকে করে তোলে এবং কমলালেবুর কোয়ার মতো আকর্ষণীয় করে তোলে। এমনকি এটি ঠোঁটে দীর্ঘক্ষণ থেকে যায়।

পেট্রোলিয়াম জেলি : মূলত শীতকালে ঠোঁটকে কোমল রাখার জন্য পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা হয়। অধিকাংশ মানুষই হয়তো এটা জানেন না যে অন্যান্য সময়েও পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা যায়। ঠোঁটকে নরম ও মোলায়েম রাখার জন্য পেট্রোলিয়াম জেলির বিকল্প কিছু নেই।

এজড বাম : ঠোঁটকে গ্লো করবে ঠিকই কিন্তু এটি লিপস্টিকের মতো নয়। লিপস্টিকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন অনেকে। প্রতিদিন সকালে সকল বয়সের নারীরাই ব্যবহার করতে পারেন এজড বাম।

অলিভ অয়েল : ঠোঁটকে ভালো রাখতে অলিভ অয়েল অত্যন্ত উপকারী একটি তেল। এটি নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ঠোঁটের শুষ্কভাব দূর হয় এবং ঠোঁটকে নরম রাখতে অনেক সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য