সামসউদ্দীন চৌধুরী কালাম, পঞ্চগড় থেকেঃ গত তিনদিন ধরে সিঙ্গেল ডিজিটে পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা। এর মধ্যে দুইদিনই ছিল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। মৃদু শৈত্যপ্রবাহে অনেকটাই স্থবির এখানকার জনজীবন। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে ঘন কুয়াশার কারণে ঝুঁকি নিয়েই সড়ক-মহাসড়কের চলছে যানবাহন।

ঘন কুয়াশার কারণে রোববার সন্ধ্যায় পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে যাওয়া নৈশ কোচগুলো ঢাকা পৌছেছে সোমবার দুপুর ১২ টার পর। রাজধানীর শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান চৌধুরী জানান, রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার নৈশ কোচে পঞ্চগড় থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছিলাম। কোচটি সোমবার ভোর ৬টায় ঢাকায় পৌছার কথা থাকলেও ঢাকায় পৌছি দুপুর ১২টায়।

সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার। এটি সোমবারের দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তবে সকাল ১০টার পর সূর্যের দেখা পাওয়ার পর মেঘমুক্ত আকাশে সারাদিনই ছিল রোদের উত্তাপ। প্রখর রোদে বেড়েছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। রোববার যেখানে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করে ২১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গতকাল রোববার বিকেল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রার ব্যবধান বেড়ে যাওয়ায় পঞ্চগড়ে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে না। রোববার মধ্যরাতের পর থেকে রাতভর ঝরেছে ঘন কুয়াশা। ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত সেই কুয়াশা ঝরেছে হালকা বৃষ্টির মত। কুয়াশা কেটে যাওয়ার পর গতকাল সোমবার সকাল থেকে দিনভর ছিল ঝলমলে রোদ।

দুপুরের পর থেকে উত্তরের বাতাস প্রবাহিত হওয়া শুরু করলেও রোদের কারণে শীতের তীব্রতা অনুভূত হয়নি। এ অবস্থা জানুয়ারী বাকি দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য