শীতকালে শুষ্ক আবহাওয়ার জন্য চুল রুক্ষ ও আগা ফাটার সমস্যা বেশি দেখা দেয়।

তাই এই সময় চুলের আর্দ্রতা বজায় রাখতে বাড়তি যত্ন নিতে হবে।

রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে শীতকালে চুলের হারিয়ে যাওয়া কোমলতা ফিরিয়ে আনার উপায় সম্পর্কে জানানো হল।

আর্দ্রতা রক্ষাকারী উপকরণ ব্যবহার

সবচেয়ে সাধারণ উপায় হল আর্দ্রতা রক্ষাকারী শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করা। চুলের আর্দ্র রাখতে আবহাওয়া ও চুলের ধরণ অনুযায়ী প্রসাধনী ব্যবহার করতে হয়। শীতকালীন পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে তাতে কোলাজেন, সিল্ক প্রোটিন ও হ্যালোরনিক অ্যাসিড আছে কিনা দেখে নিন।

ঘন ঘন চুল ধোয়া নয়

মাথার ত্বকের চুলকানি ও শুষ্কতা দূর করতে যত কম সম্ভব শ্যাম্পু করুন। শীতকালে মাথার ত্বকে ঘাম কম হয় এবং অনেকক্ষণ চুল না ধুয়েও থাকা যায়। শ্যাম্পু মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখে কিন্তু প্রাকৃতিক তেল শুষে নেয় যা চুলকে আর্দ্র ও সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে।

ডিপ কন্ডিশনিং মাস্ক

শীতকালে সপ্তাহে একবার ‘ডিপ কন্ডিশনিং হেয়ার মাস্ক’ ব্যবহার করুন। আর্গন তেল সমৃদ্ধ চুলের মাস্ক চুলকে আর্দ্র ও মসৃণ রাখতে সহায়তা করে। পাশাপাশি উজ্জ্বলতা ধরে রাখে। সাধারণ কন্ডিশনারের চেয়ে হেয়ার মাস্ক চুলকে বেশি মসৃণ ও কোমল রাখতে পারে।

নিয়মিত তেল ব্যবহার

শীতকালেও মাথার ত্বকে তেল মালিশ করা প্রয়োজন। এটা মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় ফলে চুল দ্রুত বাড়ে। তেল ব্যবহার করতে না চাইলে ‘লিভ-ইন কন্ডিশনার’ বা সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখে ও জট পড়া এড়াতে সহায়তা করে।

‘স্টাইলিং টুল’ কম ব্যবহার করুন

তাপীয় যন্ত্র যেমন- ‘কার্লার’ ও ‘স্ট্রেইটনার’ কম ব্যবহার করুন। এগুলো চুলকে রুক্ষ করে ফেলে। বাতাসে চুল শুকানো ভালো। তবে এটা করা বেশ ঝামেলার কারণ ভেজা চুলে বাইরে হাঁটলে মাথার বেশি ময়লা জমা হওয়ার ও আগা ফাটার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই হাতে সময় না থাকলে চুল শুকাতে একদম কম তাপে ড্রায়ার ব্যবহার করুন। এর আগে অবশ্যই তাপ সুরক্ষার প্রসাধনী ব্যবহার করে নিতে হবে। আর ঘরে থাকলে চুল খোলা রেখে ভেজা চুল শুকান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য