নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) সংবাদাতাঃ ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নৈশকোচ রোজিনা পরিবহন দিনাজপুর-গবিন্দগঞ্জ মহা সড়কের নবাবগঞ্জের মতিহারা ব্রীজের কাছে ডাকাতি শেষে গাড়ী থেকে নেমে পালিয়ে যাবার পথে পুলিশ ও যাত্রীরা ধাওয়া করে নারী ডাকাত নিপাকে গ্রেফতার করে। এই সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহার কৃত ৬ টি চাকু উদ্ধার হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিরামপুর সার্কেল সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মিথুন সরকার।

ঢাকা থেকে চেড়ে আসা রোজিনা পরিবহন নৈশকোচটি ঠাকুরগাঁ উদ্দেশ্যে যাত্রা করলে সেই গাড়ীতে যাত্রী বেশে ঢাকা থেকে আসে ডাকাত দলের সদস্যরা সোমবার (৪ জানুয়ারী) দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে নৈশ্য কোচ রোজিনা পরিবহনে ডাকাতি শুরু করে, পুলিশ সংবাদ পেয়ে নবাবগঞ্জের মতিহারা ব্রীজের কাছে অবস্থান করলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালিয়ে যাবার পথে এক নারী ডাকাত দলের সদস্য নাজমুন নাহার নিপা আটক হয়।নিপা দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার সেলিম শেখের স্ত্রী।

নৈশকোচে ডাকাতি করার সময় যাত্রীদের মধ্যে ৩ জন আহত হয় তারা হলেন ঠাকুরগাঁও জেলার রানিশংকৈল উপজেলা জসিম উদ্দিনের ছেলে অলিন, আব্দুল গাফারের ছেলে জুয়েল রানা ও নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়নাল আবেদিনের ছেলে জামাল হোসেন।

বিরামপুর সার্কেল সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মিথুন সরকার যুগান্তরকে জানান রবিবার রাতে ঢাকার যাত্রাবাড়ি থেকে ঢাকা মেট্রো-ব ১৪৫০২১ নাম্বারের রোজিনা পরিবহনের বাসটি যাত্রী নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের রানিশংকৈলে যাচ্ছিল। ওই বাসে ৮ জন ডাকাত যাত্রী বেশে ওঠে পড়ে। পথে গোবিন্দগঞ্জ থেকে দিনাজপুর আসার সময় ডাকাতরা যাত্রীদেরকে জিম্মি করে ডাকাতি শুরু করে।

সেই সময় ডাকাত দল গাড়ী চালককে ড্রাইভিং থেকে উঠিয়ে দিয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলে, গাড়ীর হেলপার জানালা দিয়ে লাফ দিয়ে বাহিরে গিয়ে ৯৯৯ ফোনে কল দিয়ে পুলিশকে জানায়।

ঘোড়াঘাট পুলিশ ও নবাবগঞ্জ পুলিশের দল নৈশকোচটিকে দাঁড় করতে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল গাড়ী থেকে নেমে পালিয়ে যাবার পথে এক নারী সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

বিরামপুর সার্কেল সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মিথুন সরকার আরও বলেন এই ডাকাত দলের অন্যান্য সদস্যদের ধরতে জোর প্রচেষ্টা চলছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য