রংপুরে চাঞ্চল্যকর শিশু মাইশা আক্তার খুনের রহস্য উদঘাটন করেছে পিবিআই। এ ঘটনায় জহুরুল হক রানা ওরফে ছক্কু নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রংপুর পিবিআই-এর পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন।

তিনি জানান, শিশু মাইশার পরিবার ও অভিযুক্ত জহুরুল হক রানা ওরফে ছক্কু পাশাপাশি বাড়িতে থাকত। মাইশা তাকে দাদু বলে ডাকত। ২৮ ডিসেম্বর দুপুরে মাইশাকে মোয়া কিনতে টাকা দেয় ছক্কু। মোয়া নিয়ে আসার পর ছক্কু মাইশাকে বাড়ির ভেতর নিয়ে চুম্বন করে। ওই সময় মাইশা পাশে থাকা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ছক্কুকে আঘাত করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মাইশাকে সজোরে ধাক্কা দেয় ছক্কু। এতে ঘরের ভেতর থাকা একটি বাঁশের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় মাইশা।

পুলিশ সুপার আরো জানান, শিশু মাইশার মৃত্যুর পর লাশ বস্তাবন্দি করে বাড়িতে লুকিয়ে রাখে ছক্কু। পরে রাত ১১টার দিকে লাশ প্রতিবেশী মতিন ও শাহিনের ডোবায় ফেলে গা ঢাকা দেয় সে। মঙ্গলবার সকালে ডোবার কিনারায় মাইশার লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন নিহত মাইশার বাবা মনোয়ার হোসেন। রংপুর পিবিআই স্বেচ্ছায় মামলার তদন্তভার নেয়। তদন্তের এক পর্যায়ে জহুরুল হক রানা ওরফে ছক্কুকে নগরীর কেরানীপাড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতে হাজির করা হলে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় ছক্কু।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য