বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকার অবমানানা করায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়েরর ৮ শিক্ষকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ শাখার সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর তাজহাট থানায় এই অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি ফলকের সামনে জাতীয় পতাকার সবুজের মধ্যে লাল অংশ গোলাকার না করে বিকৃতি করে আয়তকার করে প্রদর্শন করা হয়েছে। এ ছাড়া পতাকাটি নি¤œমুখি করে পায়ের নিচে ফেলা হয়।

যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে করা হয়েছে তারা হলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকাতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তবিউর রহমান প্রধান, বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক পরিমল চন্দ্র বর্মন, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের প্রভাষক শামীম হোসেন, ইতিহাস ও প্রতœতত্ব বিভাগের প্রভাষক সোহাগ আলী, মার্কেটিং বিভাগের সহাকারি প্রক্টোর ও সহকারি অধ্যাপক মাহামুদুল হাসান, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের রাম প্রসাদ বর্মণ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক বাসক রহমতুল্লাহ, একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাইয়ুম, পিএস আমিনুর রহমান।

এ ছাড়া আরো ৮/৯জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। মামলায় বলা হয় ৪ নং আসামি বিষয়টি ফেসবুকে পোস্ট দিলে পরদিন ১৭ ডিসেম্বর সবার দৃষ্টি গোচর হয়। এ ছাড়া আসামিরা স্বেচ্চঅয় স্বজ্ঞ্যনে জাতীয় পতার বিধি মামলার ব্যতয় গটিয়েছেন।

এ ছাড়া ১নং আসামি তার ফেসবুকে স্বীকারোক্তিমূলক পোস্ট দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।এর আগে ছাত্রলীগ ও মহানগর যুবলীগ এ ঘটনার প্রতিবাদে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে মহান বিজয় দিবস দায়সারাভাবে পালন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসে আলোকসজ্জা করা হয়নি। এমন দিনেও ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ। এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসেও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধা জানায়নি প্রশাসন। সেদিনেও ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত ছিলেন উপাচার্য। এসব কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানায় বিশ্ববিদ্যালয় অধিকার সুরক্ষা পরিষদ।

তাজহাট হাট থানার ওসি ( তদন্ত) রবিউল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে পরবর্তি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য