বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ বীরগঞ্জে এসিল্যান্ড পদশূন্য থাকার করনে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় বিঘ্নিত ও খারিজ নিস্পত্তি সহ জনতার ভোগান্তি চরমে উঠেছে। উপজেলা ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড মোঃ আব্দুর রহমান গত ১৫ মে যোগদান করে ২৩মে/১২ইং ৯দিন দায়িত্ব পালনের পর সরকারী অর্থায়নে উচ্চতর প্রশিক্ষনের জন্য জাপান চলে যান। এরপর হতে এসিল্যান্ড পদ শূন্য ফলে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওতায় ভূমি উন্নয়ন কর আদায় লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়। এসিল্যান্ড পদ শূন্য ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস গুলোতে লোকবলের অভাবে আদায় সন্তোষ জনক হয়নি। আজ পর্যন্ত বিপুল পরিমান অনাদায়ী রয়েছে যা জাতীয় বাজেটে বিঘœ সৃষ্টি করবে বলে সচেতন মহল আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। পৌরসভাসহ উপজেলার শিবরামপুর, পলাশবাড়ী, শতগ্রাম, পাল্টাপুর, সুজালপুর, নিজপাড়া, মোহম্মদপুর, ভোগনগর, সাতোর, মোহনপুর ও মরিচা ইউনিয়ন সমুহের শতশত গ্রামের হাজার হাজার মানুষ বিশেষ প্রয়োজনে জমি বিক্রি করেছে। সম্মানীত ক্রেতাগন জমি ক্রয়ের পর জমির খারিজ করে বিভিন্ন কাজের পরিকল্পনা করেছে কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে যে এসিল্যান্ড পদ শূন্য থাকার কারনে সময়মত খারিজ না হওয়ায় সমস্থ পরিকল্পনা লন্ডভন্ড হয়ে যাচ্ছে।

এসিল্যান্ড অফিসে গিয়ে খোজ নিয়ে জানা যায়, পৌরসভাসহ উপজেলার শিবরামপুর, পলাশবাড়ী, শতগ্রাম, পাল্টাপুর, সুজালপুর, নিজপাড়া, মোহম্মদপুর, ভোগনগর, সাতোর, মোহনপুর ও মরিচা ইউনিয়ন সমুহের হাজার হাজার খারিজ কেস রের্কড করা হয়েছে। তনমধ্যে সিংহ ভাগ নিস্পত্তি করা হলেও বেশ কিছু কেস খারিজের অপেক্ষায় রয়েছে। এ ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ জমি সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে এসিল্যান্ড অফিসে নিস্পত্তির জন্য মামলা করে। ঐসব শতাধিক মামলা দীর্ঘদিন হতে পেন্ডিং পরে আছে, শতশত ভোক্তভোগি মামলা নিস্পত্তির জন্য ঘুরেও  সুফল পাচ্ছে না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু জাফর নিজের অফিস ও অন্যান্য দপ্তর সমুহের কাজ শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস সামাল দেওয়া কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। এ ব্যপারে দিনাজপুরে জেলা প্রশাসকের আসু হস্তক্ষেপ সহ জরুরী ভিত্তিতে এসিল্যান্ড শূন্য পদটি পুরনের জোর দাবী জানিয়েছেন ভোক্তভেগি জনগন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য