সংবাদ সম্মেলনঃ ২৮ নভেম্বর শনিবার দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে দিনাজপুর সদর উপজেলার ৯নং আস্করপুর ইউনিয়নের তাজপুর (দীঘিপাড়া) গ্রামের মরহুম মোবারক আলীর পুত্র আলহাজ্ব মোঃ খলিলুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ১৯৬৮ সালে মরহুম নুর মোহাম্মদ শেখ এর প্রথম কন্যা মোছাঃ ফিরোজা খাতুনের সাথে আমার বিবাহ হয়। আমার শশুড়ের নামে বিশ্বনাথপু মৌজায় হাউজিং মোড় সংলগ্ন ৭ দাগে মোট ৯২ শতক জমি ছিল।

আমার শশুড় ২ স্ত্রী, ৫ জন্যা ও ৩ পুত্র রেখে মারা যান। জীবিত অবস্থায় উনার প্রথম কন্যা (আমার স্ত্রী) ফিরোজা খাতুনকে ১২শতক জমি দলিল মূলে হস্তান্তর করেন। পরে আমি আমার শশুড়ের কাছ থেকে ২৪ শতক জমি ক্রয় করি এবং আমার শশুড়ের দ্বিতীয় কন্যা হাসিনা বেগমকে দেয়া ১২ শতক জমিও আমি তার কাছ থেকে ক্রয় করি। সেই সুবাদে ৪৮শতক জমির মালিক হলাম আমি ও আমার স্ত্রী। পরবর্তীতে আমরা ঢাকায় সেটেল হয়ে বসবাস করার কারণে উক্ত ৪৮শতক জমি বিক্রি করে দেই।

আমার শশুড় নুর মোহাম্মদ শেখ সাহেবের অবশিষ্ট থাকা ৪৪শতক জমি তিনি ১৯৯৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময় বিক্রি করে দেন। যার ফলে উনার নামে আর কোন জমি অবশিষ্ট নেই। আমার বিক্রি করা জমিতে অন্যায় ও সুপরিকল্পিতভাবে আমার সৎ শাশুড়ি ও সৎ শ্যালক আমিনুল্লাহ আনসারী বাচ্চু অবৈধভাবে উক্ত জমিতে কাঁচা ঘর স্থাপন করলে জমিরি মালিক ঘরটি ভেঙ্গে দেয় এবং নিজেরাই স্থাপনা তৈরী করে বসবাস করছে।

একারণে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার সৎ শাশুড়ি ও শ্যালক চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আমাকে ও আমার স্ত্রীকে সহ ৬ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে। যা ২০১১ সালে বিজ্ঞ বিচারক তা খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে তারা জেলা জজ আদালতে আপিল করে বর্তমানে উক্ত আপিল মামলাটি বিচাধিন রয়েছে। আমি ও আমার স্ত্রী যেহেতু ৪৮শতক জমি বিক্রি করে ফেলেছি সেহেতু কি কারণে আমার সৎ শাশুড়ী ও সৎ শ্যালক আমিনুল্লাহ আনসারী বাচ্চু আমাদেরকে মামলায় আসামী করছে তা আমার বোধগম্য নয়।

আমাদের বিশ্বাস আমাদের হয়রানী করার জন্য এই মামলা করা হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারকের নিকট আকুল আবেদন করছি যে, বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে উক্ত মামলা থেকে আমাদের অব্যাহতি প্রদান করবেন। এসময় সংবাদ সম্মেলনে বড় নন্দিয়া, মোছাঃ সাহেবা খাতুন, উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য