দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় অতিবৃষ্টিতে চাষীদের ক্ষেতেই ফসল নষ্ট হওয়ার কারণে প্রায় দু’ মাস ধরে কাঁচা বাজারে শাক-সবজির দাম ছিল চরম উর্দ্বগতি। দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হয়েছে কাঁচা বাজার করতে আসা স্বল্প আয়ের মানুষসহ সর্ব সাধারণদের।

তবে হেমন্তের শুরুতেই শীতের বিভিন্ন শাক- সবজি বাজারে আসতে শুরু করলেও অনেকে বেশি দামেই কিনতে হচ্ছে। বর্তমানে ২/৩ দিন ধরে কিছুটা কমতে শুরু করেছে সবজির দাম।

উপজেলার বাজারগুলোতে আগের চেয়ে ভালো মানের ও মোটামুটি একই ধরণের শাক-সবজির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দামেরও তেমন কোন তারতম্য না থাকায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের ঝাঁজও।

উপজেলার শিবরামপুর, পলাশবাড়ী, শতগ্রাম, পাল্টাপুর, সুজালপুর, নিজপাড়া, মোহাম্মদপুর, ভোগনগর, সাতোর, মোহনপুর ও মরিচা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামের হাট- বাজার ঘুরে দেখা যায়,লাউ, সিম, বেগুন,ফুলকপি,ধনেপাতা,লাল শাক,পালং শাক,মুলা, পটল ও টমেটোসহ সকল সবজির দাম আগের চেয়ে কম। স্বাধীন বটগাছ এলাকার সবজি বিক্রেতা রবিউল ইসলাম জানান,গত সপ্তাহ থেকে এ সপ্তাহে সবজির যোগান বেশি থাকায় বেশির ভাগ সবজির দাম অনেকটাই কম,আবার ক্রেতা বেশি।

শনিবার সকালে সরেজমিনে পৌরসভার বলাকা মোড় এলাকায় সুজালপুর বর্ষা গোপালপুর গ্রামের মোঃ ফজলুর ইসলাম ছেলে মোঃ হাফিজুর ইসলাম শাক- সবজি বিক্রেতা জানান, ফুলকপি প্রতি কেজি ৩০-৩৫ টাকা,মূলা ৮/১০ টাকা,বেগুন ২০-২৫ টাকা, বাঁধা কপি ২৫-৩০ টাকা,আলু ৪০-৪৫ টাকা,করলা ১৫-২০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০-১১০ টাকা, ধনেপতা ৮-১০ টাকা, পিয়াজ ৭০-৭৫ টাকা, মাঝারি আকারের লাউ ১০-২০ টাকা রয়েছে।

পৌর দৈনিক বাজারে কাঁচা বাজার করতে আসা রাজু আহাম্মদ বলেন,দু’মাস ধরে কাঁচা বাজার করতে আসা মানুষের নাভীশ্বাস উঠলেও বর্তমানে আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে থাকায় কমতে শুরু করেছে শীতের শাক-সবজির দাম। তিনি আরো বলেন,বেশিরভাগ শাক- সবজির দাম কমলেও কিছুতেই ঝাঁজ কমছে না কাঁচা মরিচের। একই অভিমত প্রকাশ করেন কাঁচা বাজার করতে আসা কয়েকজন ক্রেতা। অনেক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন,বিভিন্ন জায়গায় আলুর দাম কম থাকলেও আমাদের বীরগঞ্জে আলুর দাম অনেকটা চড়া।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য