দিনাজপুর সংবাদাতাঃ ধূমপান মৃত্যুর কারণ’ প্রতিটি সিগারেটের প্যাকেটে এমন হুঁশিয়ারি সংবলিত লেখা আছে। তবুও ধূমপায়ীদের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে না। প্রতিনিয়ত বাড়ছে ধূমপায়ীদের সংখ্যা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সমাজে ক্রমান্বয়ে অধূমপায়ী অপেক্ষা ধূমপানের ধোঁয়ার সংমিশ্রণে অধূমপায়ীরা চরমভাবে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর জেনেও এই অভ্যাসটি ত্যাগ করতে পারছে না অনেকেই। সহজলভ্য হওয়ায় প্রতিটি মুদি দোকান, চায়ের দোকান, পান-সিগারেটের দোকানে সিগারেট বিক্রয় হচ্ছে দেদারছে।

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে স্কুল- কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দিন দিন বাড়ছে ধূমপানের প্রবণতা। হাতের নাগালের মধ্যেই মিলছে ৫ থেকে ১০-১৫ টাকা মূল্যের বিভিন্ন ব্যান্ডের সিগারেট। সাধারণত অনেক স্কুলের আশেপাশের এলাকায় সিগারেটের দোকানের আধিপত্য বেশি। আর এগুলোর ক্রেতা হচ্ছে অধিকাংশ স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অনেকেই সন্ধার পর, দিনে-দুপুরে পৌরশহরের থানা মার্কেটের সামনে,বিজয় চত্বরের সামনে, বলাকা মোড়, উল্লাস সিনেমা হলের সামনে, তাজ মহল সিনেমাহলের আশপাশে, বীরগঞ্জ দৈনিক বাজার,স্লুইস গেট পার্ক এলাকাসহ অন্য কোনো স্থানের নির্জন স্পটে গিয়ে বন্ধুরা একত্রিত হয়ে ধূমপানে মগ্ন থাকে।

তামাকবিরোধী আইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ধূমপানমুক্ত করা হলেও সরেজমিনে পরিদর্শন করা হলে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল — কলেজগুলোর সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষগুলোকে ধূমপান বিরোধী সচেতনতা মূলক প্রচার -প্রচারণার কোনো প্রকারের পদক্ষেপ গ্রহন করতে দেখা যায়নি।

এতে করে অতিমাত্রায় নতুন ধূমপায়ীর প্রবণতায় উপজেলার শিবরামপুর, পলাশবাড়ী, শতগ্রাম,পাল্টাপুর,সুজালপুর, নিজপাড়া,মোহাম্মদপুর,ভোগনগর,সাতোর, মোহনপুর ও মরিচা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজারে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে পান-সিগারেটের দোকান।

জরুরী ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ না নিলে তরুন ধুমপায়ীদের এই প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়ে অকালে মৃত্যু ও স্বাস্থ্য ঝুকিতে পরবে বলে এলাকার সচেতন মহল তাদের অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য