নীলফামারীর জলঢাকায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ উপজেলা ও পৌর শাখার নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে নতুন ও পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ রবিবার দুপুরে জলঢাকা পৌরশহরে। এঘটনায় শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা গেছে, চলতি মাসের ১২ তারিখে জলঢাকা উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে নীলফামারী জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মমিনুল হাসান শাহ আপেল এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুদ সরকারের যৌথ স্বাক্ষরে উপজেলা কমিটিতে হাদিউজ্জামান হাদিকে সভাপতি ও আযম সরকারকে সাধারণ সম্পাদক এবং পৌর কমিটিতে সোহেল রানাকে সভাপতি ও রাজু আহমেদ রাজনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১ বছরের জন্য নতুন কমিটি অনুমোদন দেন।

এদিকে গতকাল শনিবার সন্ধায় উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের তৃনমুল নেতাকর্মীদের ব্যানারে পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মীরা নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে পৌরশহরের বঙ্গবন্ধু চত্বর হতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালের সামনে গিয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়। আজ রোববার সকালে জেলা নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে নতুন কমিটির আনন্দ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণকালে ডালিয়া রোডে দু’পক্ষের হাতাহাতির ঘটনা পরবর্তীতে সংঘর্ষে রুপ নেয়।

এবিষয়ে পদপ্রত্যাশী বালাগ্রাম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জানায়, আমি খাবার হোটেল থেকে নাস্তা করে বের হচ্ছিলাম, ওরা আমাকে দেখা মাত্র কাছে এসে একা পেয়ে আমার উপর অতর্কিত হামলার চালায়।নতুন কমিটির সভাপতি হাদিউজ্জামাল হাদি জানিয়েছে,আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পদবঞ্চিতরা হামলা চালিয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুপক্ষের মধ্যে থমথমে উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য