সংবাদ সম্মেলনঃ মিথ্যা, বানোয়াট, ভীত্তিহীন, তঞ্চকতামূলক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম ভাঙ্গিয়ে সহানুভূতি নেয়ার অপকৌশল চালিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে শংকর দাস।

সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো: মোজাম্মেল হোসেন। লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ৪ নভেম্বর ২০২০ইং তারিখে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন এবং গত ৫ নভেম্বর ২০২০ইং তারিখে প্রকাশিত দৈনিক প্রতিদিন এর প্রথম পাতায়, দৈনিক আলোকিত দিনাজপুর পত্রিকার ৪র্থ পাতয়, দৈনিক সৃজনী পত্রিকার ১ম পাতায়, দৈনিক উত্তরবাংলা পত্রিকায় ৪র্থ পাতা সহ বিভিন্ন পত্রিকার প্রকাশিত প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা নিত্য গোপাল দাসের স্ত্রী মাধবী রানী দাস, পুত্র শংকর দাস কর্তৃক প্রদত্ত মিথ্যা বানোয়াট ও ভিক্তিহীণ তথ্য ও বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি মোজাম্মেলল হক দিনাজপুর শহরের বালুবাড়ী মহল্লার বাসিন্দা। আমি দিনাজপুর সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের মনোনীত সংসদের প্রাক্তন সাধারন সম্পাদক, চিরিরবন্দর থানা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর বর্তমান সদস্য এবং আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে ব্যবসায় করে আসছি।

গত ৪ নভেম্বর ২০২০ইং তারিখে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন এবং গত ৫ নভেম্বর ২০২০ইং তারিখে প্রকাশিত প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা নিত্য গোপাল দাসের স্ত্রী ও পুত্র সংবাদ সম্মেলনে ও বর্ণিত নামিয় পত্রিকায় যে বক্তব্য প্রদান করেছেন তাহা মিথ্যা, বানোয়াট, ভীত্তিহীন, তঞ্চকতামূলক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম পুজি করে তাদের প্রতি সর্বসাধারণের সহানুভূতি দৃষ্টি আকর্ষণের কৌশল মাত্র। আমি ভূমিদস্যু নই, আমি জীবনের অধিকাংশ সময় সমাজসেবা মূলক কাজে নিয়োজিত ছিলাম এবং আছি। আমি জীবনে কাহাকেও মেরে লাশ গুম করতে চাইনি। উক্ত বর্ণিত পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ মতে নালিশী প্রাচীরটি আমার স্ত্রী মিসেস শাহিদা আশরাফি এর খরিদা স্বত্ব দখলীয় সম্পত্তির মধ্যে অবস্থিত।

আমার স্ত্রীর খরিদা সম্পত্তির উপর আমি নালিশী প্রাচীরটি গত ১৯৯৪ইং সালে বাড়ীর সীমানা প্রাচীর হিসেবে নির্মাণ করি। উক্ত খরিদা সম্পত্তির সমস্ত কাগজপত্র আছে। উক্ত সম্পত্তির বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা নিত্য গোপাল দাস বাদী হয়ে আমাকে ও আমার স্ত্রীকে ১ ও ২নং বিবাদী করে সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালত দিনাজপুরে ৮৩/২০০৮ অন্য এবং ৪৮/২০০৮ নং ভায়োলেশন মামলা দায়ের করেন। যাহার বর্তমান নং-৩১/২০২০অন্য এবং ২/২০২০ ভায়োলেশন হইতেছে। বর্তমানে উভয় মোকদ্দমা বিরামপুর সহকারী জজ আদালতে বিচারাধীন আছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা নিত্য গোপাল দাসের মৃত্যুর পর তাহার ওয়ারিশগণ বাদীভুক্ত হয়ে উক্ত মোকদ্দমা পরিচালনা করছেন।

উক্ত ৮৩/২০০৮ অন্য নং মোকদ্দমায় বাদী পক্ষের প্রার্থীত মতে এ্যাডভোকেট কমিশন রিপোর্ট বাদীগণের বিরুদ্ধে আদালতে দাখিল হয় অতঃপর গৃহীত হয়। উক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী পুত্র ও অন্যান্য ওয়ারিশগণ আদালত কর্তৃক বর্ণিত নম্বর মোকদ্দমার রায় ও ডিক্রী প্রকাশের পূর্বেই বে-আইনী ও সমর্থিত রায় ও আদেশের জন্য থানায় ও পৌরসভায় ব্যর্থ হয়ে এখন সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যা উক্তিমূলে পত্রিকায় সংবাদ প্রদান করে সর্বসাধারনের সহানুভূতি অর্জনের চেষ্টা করছে এবং আমাকে সামাজিকভাবে আমার ভাবমুর্তি ও সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তাহারা ইতিপূর্বে অনুরুপ অভিযোগ বিভিন্ন জায়গায় করলেও সর্বশেষ তাহা কোতয়ালী থানায় প্রমাণিত হয়নি। আমি মুক্তিযুদ্ধ স্বপক্ষের মানুষ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের প্রতি আমার সম্মান, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা আছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধিন থাকায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে দ্বারে দ্বারে ঘুড়ে হেনস্থা না হয়ে আদালতের রায় ও ডিক্রীর অপেক্ষায় থেকে মিথ্যা অপ প্রচার না চালাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়ে বর্ণিত পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদ করেন।

 

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য