আজারবাইজানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর গাঞ্জায় মিসাইল হামালা চালিয়েছে আর্মেনীয় সেনাবাহিনী। এই হামলায় দুই শিশুসহ কমপক্ষে ১২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে আরো ৪০ জন। শনিবার আজারবাইজানের জেনারেল প্রসিকিউটরের অফিস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

হামলার বিষয়ে একটি টুইট বার্তায় আজাবাইজানের প্রেসিডেন্টের সহযোগী হিকমেত হাজিয়েভ বলেন, বেসামরিক নাগরিকদের ধ্বংসস্তূপ থেকে নিরাপদে বের করে আনার জন্য উদ্ধার কাজ অব্যহত রেখেছে উদ্ধারকারী বাহিনী। হিকমেত আরো জানিয়েছেন যে এই হামলায় আজারবাইজানের গাঞ্জা শহরের ২০টির বেশি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।

এদিকে আজারবাইজানের আরেক শহর মিঙ্গাচেভিরেও মিসাইল হামলা চালিয়েছে আর্মেনিয়া। তবে সেই হামলা রুখে দেওয়া হয়েছে বলেআজারবাইজানের প্রসিকিউটরের অফিস থেকে জানানো হয়েছে।

আজারবাইজানের পক্ষ শুক্রবার জানানো হয়েছে যে আর্মেনীয় সেনাদের নতুন হামলায় তাদের কমপক্ষে ৪৭ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং কমপক্ষে ২২২ জন আহত হয়েছেন।

আর্মেনীয় অধ্যুষিত নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আজ়ারবাইজান ও আর্মেনিয়ার বিবাদ দীর্ঘদিনের। ১৯৯৪ সালে অস্ত্রবিরতির আগে আজ়ারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যকার যুদ্ধে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ওই লড়াইয়ের পর থেকে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল আর্মেনিয়ার মদতে দখল করে নেয় আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। ২০১৬ সালেও ওই এলাকায় সংঘর্ষে ১১০ জন নিহত হয়েছিলেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর এই অঞ্চল নিয়ে নতুন করে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। সম্প্রতি রাশিয়ার মধ্যস্থতায় দেশ দুটি সাময়িক যুদ্ধ বিরতিতে রাজি হলেও বাস্তবে সেটি কার্যকর হয়নি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য