দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানায় নারী নির্যাতনের ঘটনায় পৃথক ২টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে একটি যৌতুকের দাবিতে মারপিট ও সহায়তা করার অভিযোগে এবং অপরটি ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করতঃ সহায়তা ও গর্ভপাত করার অভিযোগে। ভ’ক্তভোগীরা নিজে বাদী হয়ে ওই মামলা গুলি দায়ের করেছে।

বৃহস্পতিবার থানায় দায়েরকৃত মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় উপজেলার তর্পণঘাট গোলাবাড়ী গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে রাহেনা বেগমের(৩২) ২০ বছর পূর্বে তর্পণঘাট গ্রামের আঃ মান্নানের ছেলে বাবুল মিয়ার(৪০) সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। তাদের ২টি সন্তান রয়েছে। বাবুল মিয়া কাঠ ব্যবসায়ী।

সে কাঠের ব্যবসা করার জন্য স্ত্রী রাহেনাকে তার পিতার নিকট থেকে ১ লাখ টাকা নিয়ে আসার চাপ দেয়। এতে স্ত্রী রাহেনা রাজী না হলে তার উপর অকারনে শারিরিক মানসিক ও মারপিট করে নির্যাতন চালায়। ৮ আগষ্ট তাকে তার স্বামী শশুর ও শাশুড়ী বাড়ী থেকে বের করে দেয়।

এ ঘটনায় রাহেনা বেগম বাদী হয়ে যৌতুকের দাবিতে মারপিট ও সহায়তা করার অভিযোগে ৩ জনকে অভিযুক্ত করে বৃহস্পতিবার থানায় ১টি মামলা দায়ের করে।

অপর দিকে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের ভেবটগাড়ী(আশ্রয়কেন্দ্র) গ্রামের এক গৃহবধূ(৩৮) গত বুধবার বাদী হয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করতঃ সহায়তা ও গর্ভপাত করার অভিযোগে ৩ জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেছে। বুধবার পুলিশ ওই মামলায় অভিযুক্ত ভেবটগাড়ী (আশ্রয়কেন্দ্র) গ্রামের ফজল উদ্দীনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন(২২)কে গ্রেফতার করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য