সীমান্ত হত্যা ও ভারতীয় আগ্রাসন বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্ত অভিমুখে একক পদযাত্রা শুরুর ২০তম দিনে আজ দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে গিয়ে পদযাত্রা শেষে করেছেন হানিফ বাংলাদেশী।

এসময় ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম ও মা জাহানারা বেগম হানিফ বাংলাদেশী পদযাত্রার জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি ফেলানীর হত্যাকারী বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ আদায়ে সরকারকে সচেষ্ট হওয়া আহ্বান জানান।

নাগেশ্বরী প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের হানিফ বাংলাদেশী বলেন, “ভারত ৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে সহযোগিতা করেছে সেজন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানাই। ভারতকেও প্রতিবেশীর স্বাধীনতার প্রতি সম্মান দেখিয়ে সীমান্ত হত্যাসহ আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। আমরা ভারতের সাথে সুদৃঢ় বন্ধুত্বের সম্পর্ক চাই। নাহলে দেশের মালিক জনগন ভারতের সাথে সম্পক পুনঃবিবেচনা করবে, যা ভারত-বাংলাদেশ কারো জন্য শুভ হবে না।”

তিনি বলেন, “আমরা ভারত বিরোধী নই, ভারতের আগ্রাসন বিরোধী। আমরা প্রতিবেশি পাল্টাতে পারবো না তারাও প্রতিবেশি পাল্টাতে পারবে না। উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক সুদৃঢ় হোক সেটাই কামনা করি। সরকারের কাছে দাবি হলো বহুমাত্রিক কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে হত্যা বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে। আত্মমর্যাদাশীল জাতি গঠনে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি পরিবতন করার দাবি জানাই।”

নাগেশ্বরীতে পদযাত্রার সাথে সংহতি জানিয়েছেন গণকমিটির আবদুল মাস্নান প্রধান, মামুন অর রশিদ, উৎসর্গ পরিবারের সাদেকুল ইসলাম, মোঃ কিরন। এসময় শত শত সাধারণ মানুষ উপস্থিতি হয়ে সীমান্ত হত্যা বন্ধ ও ফেলানী হত্যার বিচার দাবি করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য