৯১ বছর বয়সী কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমেদ আল-সাবাহর মৃত্যুর পর দেশটির নতুন আমির হিসেবে মনোনীত হয়েছেন শেখ নওয়াফ আল-আহমেদ আল-সাবাহ। বুধবার কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ নওয়াফকে আনুষ্ঠানিক ভাবে আমির ঘোষণা করা হয়। তিনি শেখ নওয়াফের সৎ ভাই।

জানা যায়, সদ্য প্রয়াত আমির শেখ সাবাহ অসুস্থ হয়ে পড়লে আমিরের কাজের অনেক দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তিনি। তিনি ২০০৬ সালে ক্রাউন প্রিন্স হন। ওই বছরই শেখ সাবাহ আমির হন।

পারস্য উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্র কুয়েতের সংবিধান অনুযায়ী আমিরের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারী হিসেবে যুবরাজ সরাসরি আমির হন। পার্লামেন্টে শপথ গ্রহণের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।

কুয়েতের নতুন আমির হিসেবে শপথ নিয়েছেন ৮৩ বছরের নাওয়াফ আল-আহমেদ। বুধবার শপথ গ্রহণের পর মধ্যপ্রাচ্যে ঐক্যের ডাক দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে দেশের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স।

বুধবার পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে নাওয়াফ আল-আহমেদ বলেন, জাতি আজ এক কঠিন পরিস্থিতি ও বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। ঐক্যবদ্ধভাবে সবার কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই কেবল এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।

উল্লেখ্য, বিশ্বের ষষ্ঠ শীর্ষ তেল মজুতকারী দেশ কুয়েত। দেশটির ৪১ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে ৩৪ লাখই বিদেশি। বিগত ২৬০ বছর ধরে দেশটি শাসন করছে সাবাহ পরিবার। উপসাগরীয় এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র কুয়েত। দেশটির রাজনৈতিক বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা থাকে আমিরের। পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া কিংবা পাল্টে দিয়ে নির্বাচনের ডাক দেওয়ার ক্ষমতাও আমিরের হাতে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য