দিনাজপুর সংবাদাতাঃ ২৯ সেপ্টেম্বর রোজ মঙ্গলবার বিশ্ব হার্ট দিবস-২০২০ উদ্যাপন উপলক্ষে এবং “বৈশ্বিক মহামারীতে হৃদরোগীদের প্রতি হৃদয়বান হোন” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ ইনষ্টিটিউট বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করে।

বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ ইনষ্টিটিউটে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রায় শতাধিক রোগীর ফ্রী চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

বিকেল ২টা ৩০ মিনিটে হার্ট ফাউন্ডেশন সংলগ্ন দিনাজপুর কেয়ার নার্সিং কলেজ অডিটোরিয়াম হলে “বৈশ্বিক মহামারীতে হৃদরোগীদের প্রতি হৃদয়বান হোন” এই প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম আজাদ-এর সভাপতিত্বে মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সিনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ আব্দুল হামিদ।

অন্যান্যদের হাসপাতাল সুপার ডাঃ সুধা রঞ্জন রায়, অত্র প্রতিষ্ঠানের যুগ্ন সম্পাদক আনোয়ারুল কবির, আবু তাহের আবু, নির্বাহী সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান মিয়া, সাবেক মহিলা সংসদ সদস্য মিসেস রেজিনা ইসলাম, মিসেস নাজমা মসির প্রমূখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন প্রতিষ্ঠানের পাবলিক রিলেশন কো-অর্ডিনেটর সৈয়দ শফিকুর রহমান (পিন্টু)।

হার্ট দিবসের সেমিনারে বক্তারা বলেন চিনিযুক্ত ফলের রস ও কোমল পানীয় বিরত থাকতে হবে এবং স্বাভাবিক ফলের রস পান করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। প্রতিদিন খাবার এর তালিকায় দেশীয় সহজলভ্য মৌসুমী ফল আম জাম কাঁঠাল কলা আমরা পেয়ারা পেঁপে ও অন্যান্য দেশীয় ফল অন্তুরভুক্ত করতে হবে।

প্যাকেটজাত খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। সপ্তাহে নূন্যতম ৫ দিন ৩০ মিনিট করে হাঁটার অভ্যাস তৈরী করতে হবে। ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

ব্যায়াম বলতে শুধু শরীর কসরত নয়, খেলাধুলা, হাঁটাহাঁটি, ঘর-গৃহস্থালীর বিভিন্ন কাজ যেমন বাগান করা, ঘর ঝাড়া-মোছা, কাঁপড় ধোঁয়া এসবের মাধ্যমে শারীরিক পরিশ্রম করা যায়। বিশেষ করা ধুমপান থেকে বিরত থাকতে হবে তবেই হার্ট সুস্থ ও সবল থাকবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য