আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে অসময়ে অতিবৃষ্টির পানিতে নিমজ্জিত উপজেলার নিম্নাঞ্চল কিশোরগাড়ী ইউনিয়ন এলাকার গণেশপুর এলাকায় রোপনকৃত রোপা আমন শস্য মাঠ এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে।

সোমবার ও মঙ্গলবার সরেজমিন ওই এলাকা পরিদর্শন করেন গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসাণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান ও অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মো. কামরুজ্জামান। পরিদর্শনকালে পলাশবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আজিজুল ইসলাম সাথে ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে কৃষি অফিসার আজিজুল ইসলাম মুঠো ফোনে এ প্রতিনিধিকে বলেন চলতি আমন মৌসুমে একমাত্র পোকা মাকড় এবং প্রকৃতিগত কতিপয় রোগ বালাই ছাড়া বাম্পার ফলনের ক্ষেত্রে তেমন কোন বাধা-বিপত্তি ছিলনা। চলতি সময় অতি বৃষ্টি জনিত কারণে পলাশবাড়ী পৌর ছাড়াও উপজেলার ৮ ইউনিয়ন এলাকার প্রায় সর্বত্রই কমবেশি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।

তবে উপজেলার কিশোরগাড়ী, হোসেনপুর, পবনাপুর ও হরিনাথপুর ইউনিয়ন এলাকা তুলনামূলক নিম্নাঞ্চল। গত কয়েকদিন আকস্মিক অবিরাম অতিবৃষ্টির ফলে বিশেষ করে এসব এলাকা জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ক্রমান্বয়ে পানি সড়ে যাচ্ছে। আগামী তিন-চার দিন নতুন করে দৃষ্টিপাত না হলে ক্ষতির কোন আশঙ্কা নেই। সব মিলিয়ে তবুউ এক থেকে দুই শতাংশ পরিমাণ ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন এ পর্যন্ত পৌরসভাসহ ৮ ইউনিয়ন এলাকায় মোট ১ হাজার হেক্টর রোপা আমনের জমি পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।

ইতোমধ্যেই পানি সড়ে গিয়ে ক্ষতির সম্ভাবনা অনেকটা কাটিয়ে উঠেছে। চলতি মৌসুমে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৭’শ ৫০ হেক্টর। অর্জিত হবার সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৮’শ ৩০ হেক্টর বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য